নিজস্ব প্রতিনিধি: মা আসছেন নতুন রূপে, চন্দননগর, মানকুন্ডু ও ভদ্রেশ্বরে জোর কদমে শুরু হয়েছে জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি। সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শৈল্পিকতা ও সৌন্দর্যের এই সকলের মেলবন্ধনে সেজে ওঠে চন্দননগর। এরফলে এই সময়ে চন্দননগরকে বলা হয় আলোর শহর।
সর্বোচ্চ প্রতিমা, মনোমুগ্ধকর মণ্ডপসজ্জা, বিভিন্ন ধরনের আলোকসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক আবহে ভরে ওঠে গোটা এলাকা। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজা এবং তার আয়োজন।
কয়েক বছরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে মানকুণ্ডুর স্পোর্টিং ক্লাবের জগদ্ধাত্রী পূজা, যা এই বছর ৫৯ তম বর্ষে পদার্পণ করছে। শোনা যাচ্ছে, মানকুণ্ডুতে এই বছরের থিম “ঐতিহ্যের অগ্নিস্মান”, যার নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক অনবদ্য গরিমা। টেরাকোটা শিল্পে যেমন মাটিকে পুড়িয়ে নতুন কিছু আবিস্কার করা হয়ে থাকে, তেমনি আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায় নিজের আসল সত্তাকে। এই রকমই নিত্যনতুন ধারনাকে তুলে ধরেন বিমান সাহা, যিনি তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে নতুন ধারনার প্রকাশ ঘটান। বিগত কয়েক বছর ধরেই তিনি মণ্ডপসজ্জার কাজে এই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। এই বছর বিমান বাবু মাটির শুদ্ধতা ও ঐতিহ্যের অগ্নিস্মান তুলে ধরতে চলেছেন টেরাকোটা কারুকার্যের মাধ্যমে।
দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিমা ও মণ্ডপসজ্জা দেখতে পঞ্চমী থেকেই খুলে দিচ্ছে মণ্ডপ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অসংখ্য মানুষের সমাগমে ভরে উঠবে মানকুন্ড এলাকা। কমিটির সদস্যদের থেকে জানা যাচ্ছে, এবছরের আনুমানিক বাজেট প্রায় ২২ লক্ষ টাকা, যার সম্পূর্ণটাই ব্যবহিত হচ্ছে সাজসজ্জা, নিরাপত্তা ও দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য।
