ওঙ্কার ডেস্ক: তামিলনাড়ুর সরকারি স্কুলগুলির মধ্যাহ্নভোজে সপ্তাহে একদিন চিকেন বিরিয়ানি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় থালাপতির কাছে ইতিমধ্যেই এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং তা বর্তমানে তাঁর বিবেচনাধীন রয়েছে। রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এ রাজমোহন জানান, দীর্ঘদিন ধরে তামিলনাড়ুর মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্পে বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন পুষ্টিকর খাদ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহে একদিন চিকেন বিরিয়ানি পরিবেশনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার আরও আকর্ষণীয় হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিগুণও বাড়বে।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র বিরিয়ানি যুক্ত করাই নয়, স্কুলগুলিতে সকালের জলখাবারের মেনুতেও পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে যে একঘেয়ে খাবার পরিবেশন করা হয়, তার পরিবর্তে আরও বৈচিত্র্যময় ও পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিটি পড়ুয়ার জন্য নির্ধারিত খাদ্য বরাদ্দের মধ্যেই কীভাবে উন্নত মানের খাবার দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের আগে সমাজকল্যাণ ও মহিলা ক্ষমতায়ন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কারণ মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্পের দায়িত্ব ওই দপ্তরের অধীনেই রয়েছে। শিক্ষক সংগঠনগুলিও খাবারের মানোন্নয়ন, চালের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং পড়ুয়াদের জন্য আরও পুষ্টিকর খাদ্য পরিবেশনের দাবি জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুর মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সফল স্কুল পুষ্টি কর্মসূচি হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন খাবার পেয়ে থাকে। সরকার মনে করছে, খাবারের মান ও বৈচিত্র্য বাড়ানো গেলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, অপুষ্টি রোধ এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়তে পারে। যদিও সপ্তাহে একদিন চিকেন বিরিয়ানি পরিবেশনের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি, মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল। অন্যদিকে একই সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদল হয়েছে বাংলায়। সরকারে রয়েছে পদ্মফুল শিবির। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ধর্ম নিয়ে নানা বিষয়ে একাধিক বার বিতর্কে জরিয়েছে শুভেন্দু সরকার। বিভিন্ন প্রাথমিক, আঙ্গনওয়ারি বিদ্যালয় গুলিতে ডিম, মসুর ডাল দেওয়া নিয়ে অশান্তির সৃষ্টি হয়। একদল বিজেপি কর্মী দাবি করে বাচ্ছাদের খাবারে আমিষ দেওয়া তাঁদের ধর্ম বিশ্বাসের পরিপন্থী। কিন্তু অন্যদিকে এবছর বাজেটে মিড-ডে মিল উন্নত করার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।