ওঙ্কার ডেস্ক: সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বদললে গিয়েছে বঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। ভূতপূর্ব দল তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে ক্ষমতাসিন হয়েছে বিজেপি। এই সময়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ঢাকা কে স্পষ্ট বার্তা দিল নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়ে দিল, বাইরের দেশ থেকে যে বা যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল তাদের সকল কে তাঁদের চিহ্নিত করা এবং নিজের দেশে ফেরত পাঠানোই ভারতের নীতি। এই বিষয়ে বাংলাদেশের সহযোগিতা করতেও বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তাঁর বক্তব্য, ভারত যদি ‘পুশব্যাক’ করতে শুরু করে তাহলে ঢাকাও ব্যবস্থা নেবে। তাঁর এই মন্তব্যেরই জবাব দিয়েছেন ভারত সরকারের তরফে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, গত কয়েক দিন ধরে এমন একাধিক মন্তব্য আমাদের চোখে পড়েছে। তিনি বলেন, অবৈধ ভাবে যে সমস্ত বিদেশি নাগরিক এ দেশে থাকছেন, তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়াই ভারতের নীতি। এর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সহযোগিতাও আশা করেন তিনি। যোগ করেন, ‘‘বাংলাদেশ তাদের নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে বলে আমরা আশা করছি, যাতে ভারত থেকে অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যর্পণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।’’ রণধীর উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে রয়েছে। তার মধ্যে অনেকগুলিই পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিবেচনাধীন।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে, এই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে শান দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ক্ষমতায় এলে অবৈধ অভিবাসীদের দেশছাড়া করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা। এবারও সেই কথাকে সাক্ষী রেখে পুস ইন করার ব্যপারে কাজ শুরু করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।