ওঙ্কার ডেস্ক: গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত বন্ধ করতে তিনি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে একাধিক বার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর সেই দাবিতে সম্মতিও জানিয়েছে ইসলামাবাদ। যদিও ভারতের তরফে ট্রাম্পের দাবিকে অস্বীকার করা হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত থামানোর জন্য পাকিস্তানের তরফে আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। ফের এক বার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নোবেল পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পকে মনোনীত করলেন।
সোমবার মিশরের শার্ম-আল-শেখ শহরে ‘গাজা শান্তি সম্মেলন’ আয়োজিত হয়েছে। সেই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শাহবাজ শরিফ। সেই সম্মেলনে পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত থামাতে অনবদ্য ভূমিকা রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সে কারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল পাকিস্তান।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘আজ আবার আমি নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য এই মহান প্রেসিডেন্টকে মনোনীত করতে চাই।’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোবেল পুরস্কার পেতে পারেন বলে। যদিও শেষ্মেষ সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে নোবেল কমিটি। এ বছর শান্তিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলনেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
উল্লেখ্য, মিশরের এই শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহকে মিশরে পাঠানো হয়েছে নয়াদিল্লির তরফে। এই সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও ভারত এবং পাকিস্তানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ভারত একটি চমৎকার দেশ। সে দেশে নেতৃত্বে রয়েছেন আমার এক বন্ধু।’ এর পরেই ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় পাকিস্তান এবং ভারত খুব ভাল ভাবে একসঙ্গে থাকবে।’
