ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলা কনটেন্ট জগতে এলো এক ভিন্ন ধরণের ওয়েব সিরিজ “Psycho” (সাইকো)। যা প্রকাশ পেয়েছে বাংলায় নতুন সংযোজন দার্শু OTT’র প্ল্যাটফর্মে। আর এই প্ল্যাটফর্মের প্রথম নিবেদনেই দর্শক পেল এক ভিন্ন স্বাদের থ্রিলার কাহিনী ‘সাইকো’। এই সিরিজ পরিচালনায় রয়েছেন বাপ্পা, যিনি নিজের কল্পনা ও অভিজ্ঞতার মিশেলে এঁকেছেন ভয়, ভ্রম আর মানসিক তত্ত্বের অন্য ছবি। গল্পে দর্শকরা প্রবেশ করবেন এক রহস্যময় যাত্রায়, যেখানে প্রতিটি চরিত্রের ভেতরে লুকিয়ে আছে রহস্য, আর প্রতিটি এপিসোডে রয়েছে অপ্রত্যাশিত চমক।
সিরিজটির মূল উদ্দেশ্য শুধুই বিনোদন নয়, বরং দর্শককে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করানো মানুষের মনের আসল রূপ কতটা অজানা? রোমাঞ্চ, সাসপেন্স এবং মানসিক দ্বন্দ্বের সূক্ষ্ম মিশ্রণে গড়ে ওঠা ‘সাইকো’ দর্শকদের দেবে এক একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। গল্পের কেন্দ্রবিন্দু সমদর্শী বাইরে থেকে সাধারণ চাকুরিজীবী, নিভৃতচারী শিল্পী। কিন্তু তার মনের গভীরে লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ অতীত। পরিচালক বাপ্পার কথায়, ‘সাইকো’ কেবল ঠান্ডা মাথার খুনির গল্প নয়, এটি মানুষের আচরণের ভঙ্গুরতা, মনের অন্ধকার ও অস্বস্তিকর দিকগুলোর অনুসন্ধান। এই ওয়েব সিরিজে থাকছে আধুনিক গল্প, চমকপ্রদ ভিজ্যুয়াল টোন এবং তীব্র আবহ, যা দর্শককে স্ক্রিন থেকে চোখ সরাতে দেবে না। এই যাত্রায় পরিচালকের সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায় ও কিঞ্জল নন্দের মতো শিল্পীরা। প্রত্যেকেই তাঁদের চরিত্রে এনেছেন গভীর আবেগ, যা এক একটি দৃশ্যকে করেছে অনবদ্য।
সিরিজ প্রসঙ্গে, বাসবদত্তার কাছে গল্পটি ছিল আবেগময়, কনীনিকার মতে সাইকো একেবারেই অন্য গল্প যার জন্য শেষ অবধি দেখতে হবে, এবং কিঞ্জলের কাছে এটি ছিল মানসিক চ্যালেঞ্জ।সবাই মিলে এই সিরিজকে দিয়েছেন ভয় আর রহস্যে মোড়া এক নতুন স্বাদ। ইতিমধ্যেই দার্শু OTT–তে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে সিরিজটি নিয়ে দর্শক মহলে তৈরি হয়েছে প্রবল কৌতূহল ও আলোচনার ঝড়। দর্শক তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তাঁদের মধ্যে নানান রকম অভিজ্ঞতা কাজ করেছে। আর ঠিক এই অনুভূতিই সাইকো-র আসল সাফল্য।
