ওঙ্কার ডেস্ক: বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল অ্যাকশন মূলক সিনেমা। কারণ ইন্ডাস্ট্রিতে কামব্যাক করার যখন সব উপায়ই বন্ধ হয়ে যায় তখন নায়ক-দের একমাত্র ভরসা অ্যাকশনমূলক ছবি। কারণ ব্যর্থতার সময়ে সিনেজগতে টিকে থাকার লড়াইয়ে সাফল্য পাওয়ার জন্য। সেই পথেই এবার আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’- ছবি। যা সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। এই সিনেমার মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন, রণবীর সিং! ঘুষি, গুলি আর বারুদঘেরা এক দুর্ধর্ষ রূপে ধরা দিয়েছেন তিনি। চোখেমুখে রক্ত, সিগারেট ঠোঁটে, কাঁধে লম্বা চুল, রক্তে রাঙা হাত, রণবীর যেন একেবারে আলাদা একটি মানুষ। তার লুকই বলে দিচ্ছে চরিত্রটা ঠিক কী রকম হতে পারে।
‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় রনবীর সিং -এর চরিত্র করায় ‘অ্যানিম্যাল’-এর রণবীর কাপুর, ‘পাঠান’-এর শাহরুখ খান কিংবা ‘ওয়ান্টেড’-এর সলমনকে। বলিউডের ভাইজান সলমন খান, যিনি এক সময় পরপর ফ্লপ ছবিতে নিজের নাম খোদাই করেছিলেন—‘মারিগোল্ড’, ‘গড তুসি গ্রেট হো’, ‘যুবরাজ’-এর মতো ছবির পর ‘ওয়ান্টেড’ ছিল একেবারে ঝড়ের মতো কামব্যাক। এরপর একের পর এক হিট ছবি ‘দাবাং’, ‘রেডি’, ‘বডিগার্ড’, ‘এক থা টাইগার’—সবই অ্যাকশনভিত্তিক। আর শাহরুখ খান তো ‘রোম্যান্সের বাদশা’ তকমা সরিয়েই নতুন জীবন দিয়েছে ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’ -এর মতো ছবি। অন্যদিকে, রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’, অমিতাভ বচ্চনের ‘শাহেনশাহ’ বা সানি দেওলের ‘গদর ২’—প্রমাণ করেছে যে অ্যাকশন হল সেই জঁর, যা বক্স অফিসকে এক ধাক্কায় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলিউড ইন্ডাস্ট্রির আগামী ভবিষ্যৎ।
‘ধুরন্ধর’-এ একগুচ্ছ জনপ্রিয় অভিনেতাদের মধ্যে রণবীরই থাকবেন কেন্দ্রবিন্দুতে। কারণ, বলিউডে মুশকিল আসান অ্যাকশনমূলক ছবি।
