ওঙ্কার ডেস্কঃ একাধিক বার দলের কাছে বিরক্তির কারণ হয়েছেন। মসজিদ গড়ার কথা ঘোষণা করে তৃণমূলের রোষানলে পড়েছেন। ‘স্বপ্নের বাবরি’র শিলান্যাস করার আগেই সাসপেন্ড হয়েছেন। সেই হুমায়ুন সোমবার নিজের নতুন দলের নাম ঘোষণা করলেন। এ বার তৃণমূলকে হারাতে কংগ্রেস, বাম এবং আইএসএফকে আহ্বান জানালেন। তাঁর কথায়, ‘এ বারের লড়াই সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। হিসাব করে পা ফেলছি।’
২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগেও বাংলায় একটা নতুন দল তইরি হয়েছিল। সেই দলের নাম ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। আবার ২৬ এর বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় আবারও রাজনীতির আঙ্গিনায় একটা নতুন দল। দলের নাম ঘোষণার আগেই প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর তৃণমূল সুপ্রিমোকে হুঁশিয়ারি দেন, জানান, ‘মমতা এবং বিজেপিবিরোধী সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আসন ভাগাভাগি করে লড়ব। কিন্তু কেউ যদি নিজেকে সকলের চেয়ে বড় মনে করেন, ‘ইগো’ নিয়ে থাকেন, তখন একাই লড়ব।’
হুমায়ুন নির্দ্বিধায় বলেছেন, তাঁর লক্ষ্য সংখ্যালঘু ভোট একত্রিত করা। বাবরি মসজিদ করা। প্রশ্ন উঠছে, শুক্রবারের বদলে কেন সোমবারকে বাছলেন দলের নাম ঘোষণা করার জন্য? সোমবার তো শিবের বার। হুমায়ুনের সাফ জবাব, সোমবার তার জন্মবার। তার মা চান, সে সোমবার ভালো কোনও কাজ করুক। আর সোমবার প্রসঙ্গে হুমায়ুনের মন্তব্য, ‘‘শিবঠাকুর সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা নেই। তবে অনেকে আমায় একগুঁয়ে বলেন। আমি যেটা করব বলি, সেটা করেই ছাড়ি। শুনেছি, উনিও তেমন ছিলেন।’’
কংগ্রেসের অধীরকে হুমায়ুন গুরু বলেন। শিষ্যের নতুন দল প্রসঙ্গে অধীর জানান, ‘‘মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘু মানুষ জানেন, কারা তাঁদের পাশে। একবার প্ররোচিত হয়ে তৃণমূলকে উজাড় করে ভোট দিয়ে আফসোস করছেন। তৃণমূলের কোনও প্রোডাক্টের কাছে তাঁরা আর যাবেন না।’’
মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, ‘‘বাবরি মসজিদের সেন্টিমেন্ট দিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে নামছেন নামুন। তবে ধর্মকে ব্যবহার করে লোক জড়ো করা এক, আর রাজনীতির ময়দানে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মানুষের যোগদান আর এক বিষয়।’’
