ওঙ্কার ডেস্ক: পহেলগাঁও কাণ্ডের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। দুই দেশ সংঘর্ষে জড়িয়েছে পরস্পরের বিরুদ্ধে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সামরিক সংঘর্ষ গোটা বিশ্ব চাক্ষুষ করেছে। এই নতুন যুগের যুদ্ধে ভারতই যে নেতা তা এই কদিনের সংঘর্ষে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইসলামাবাদকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন নয়াদিল্লি কোনও ‘নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল’ সহ্য করবে না। প্রধানমন্ত্রী মোদীর দাবি স্পষ্ট ছিল। ভারত এই নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইলের আড়ালে বেড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের আস্তানাগুলিতে সুনির্দিষ্ট ভাবে আঘাত করবে। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নয়টি জায়গায় জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করেছে। তার পর দুই দেশের মধ্যে সংঘাত চলাকালীন ভারতের প্রত্যাঘাতে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ বিমান ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এই চার দিনের ভারত-পাক সংঘর্ষ থেকে বিশ্বের জন্যও শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। একটি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ‘মহাকাশ জ্ঞান’, ‘ইলেকট্রনিক্স’ এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ ব্যবহার করে কম্পিউটিং দক্ষতা সফলভাবে একীভূত করার পর একটি শক্তি হিসেবে ভারতের উত্থান সকলের কাছেই দৃশ্যমান। ভারতের নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম, হার্ড এবং সফট উভয় কৌশলের মাধ্যমে শত্রু দেশের বস্তুকে আটকানোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং শত্রুপক্ষের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ঢুকে আঘাত করার জন্য গভীর এবং সুনির্দিষ্ট অনুপ্রবেশ ক্ষমতা রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ভারতের ক্ষমতার প্রমাণ বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশের পর পাকিস্তানের বিভ্রান্তিকর প্রচার স্বাভাবিক ভাবে ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত এবং প্রচলিত প্রতিরক্ষায় এর কৌশলগত সুবিধা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।
