ওঙ্কার ডেস্ক: লখনউ বিমানবন্দর থেকে দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইন্ডিগোর একটি যাত্রীবাহী বিমান। শুক্রবার সকালে রানওয়ের উপর দিয়ে দ্রুতগতিতে ছুটছিল বিমানটি। হঠাৎই পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। টেকঅফের ঠিক আগমুহূর্তে পাইলট হঠাৎই জরুরি ব্রেক কষে বিমান থামিয়ে দেন। এই আকস্মিক ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বিমানের ভেতরে।
ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, বিমানে মোট ১৫১ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ও উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের স্ত্রী ডিম্পল যাদব। যাত্রীরা জানান, বিমান হঠাৎ থেমে যাওয়ায় তাঁরা প্রবল ধাক্কা অনুভব করেন। কিছুক্ষণের জন্য মনে হয়েছিল বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সূত্রের খবর, পাইলট যদি ব্রেক না কষতেন, তবে বিমান রানওয়ে ছিটকে বাইরে চলে যেতে পারত। ফলে প্রাণহানির আশঙ্কাও ছিল বড় ধরণের। পাইলটের এমন সিদ্ধান্তের ফলে ভয়াবহ বিপদ এড়ানো গেছে বলে মনে করছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। যদিও ঠিক কী কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। বিমানের যান্ত্রিক সমস্যাই এর মূল কারণ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর আর ওই বিমানে যাত্রা সম্ভব হয়নি। সমস্ত যাত্রীকে নামিয়ে নিরাপত্তা প্রটোকল মেনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরে অন্য একটি বিমানে তাঁদের দিল্লির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। ইন্ডিগো জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তাই সর্বাগ্রে, তাই সাবধানতা হিসেবেই উড়াল বাতিল করা হয়েছিল।
এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং আতঙ্ক দুই-ই দেখা দিয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন, নিয়মিত পরিদর্শন ও যান্ত্রিক খতিয়ান সঠিকভাবে করা হলে এমন পরিস্থিতি কেন তৈরি হবে? তবে একই সঙ্গে অধিকাংশ যাত্রীই স্বীকার করেছেন, পাইলটের দ্রুত সিদ্ধান্তই বড়সড় বিপদ থেকে সকলকে রক্ষা করেছে।
