ওঙ্কার ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের জেরে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। এই আবহে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মসৃণ করতে উদ্যোগী বেজিং। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এসসিও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সেই উপলক্ষে আগেভাগেই মোদীকে স্বাগত জানাল চিন।
তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই কো অপারেশন অরগানাইজেশান সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বেইজিংয়ে স্বাগত জানিয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, এসসিও প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ বার আয়োজিত হতে চলা তিয়ানজিন শীর্ষ সম্মেলন হবে সবচেয়ে বৃহত্তম। তাঁর কথায়, ‘আমরা বিশ্বাস করি সকল পক্ষের সম্মিলিত চেষ্টায়, তিয়ানজিন শীর্ষ সম্মেলন হবে সংহতি, বন্ধুত্ব এবং ফলপ্রসূ পরিণতির সমাবেশ এবং এসসিও উচ্চ মানের উন্নয়নের একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে যার মধ্যে বৃহত্তর সংহতি, সমন্বয়, গতিশীলতা এবং উৎপাদনশীলতা থাকবে।’
সহযোগিতার মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা উন্নত করার লক্ষ্যে ২০০১ সালে এসসিও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে এই ব্লকের ১০টি সদস্য দেশ রয়েছে, সেগুলি হল বেলারুশ, চিন, ভারত, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। তিয়ানজিন বৈঠকে এবং সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ছাড়াও ১০টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রধানরাও উপস্থিত থাকবেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই প্রথম চিন সফর। এই সংঘর্ষ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছিল। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শেষ চিন সফর ছিল ২০১৯ সালে। প্রধানমন্ত্রী মোদী ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাজানে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন, যার পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছিল।
