ওঙ্কার ডেস্ক: ইজরায়েলের হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি নিহত হয়েছেন বলে মঙ্গলবার দাবি করেছিল তেল আভিভ। যদিও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি তেহরান। পরে ইরানের তরফে মেনে নেওয়া হল শীর্ষ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ আলি লারিজানির নিহত হওয়ার কথা।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করার পর লারিজানি ‘শহিদের মর্যাদা’ অর্জন করেছেন। ইরানি আরও এক শীর্ষ কর্তা গোলাম রেজা সোলেইমানিও নিহত হয়েছেন বলে খবর প্রকাশ্যে আসে। উল্লেখ্য, শুক্রবার তেহরানে কুদস দিবসের সমাবেশে লারিজানিকে সর্বশেষ প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল। তার পরেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সুঙ্গে যুক্ত ১০ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করে। যেখানে লারিজানি-সহ ইরানের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্তাদের নাম ছিল। তাঁদের বিষয়ে তথ্য জানালে ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেছিল ওয়াশিংটন। যে হামলায় লারিজানির মৃত্যু হয়েছে, সেই হামলা প্রসঙ্গে ইজরায়েল দাবি করেছে, ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের পরিকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলায় তেহরানের নেতাকে নিশানা করা হয়েছিল।
কেন আলি লারিজানি ইজরায়েলের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন?
আলি লারিজানি ইরানের রাজনীতির অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব ছিলেন তিনি। দেশের নিরাপত্তা ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতেন লারিজানি।
