ওঙ্কার ডেস্ক: দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ইরানের সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে বহু বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। পাল্টা সরকার পক্ষের অনেকের মৃত্যু হয়েছে সংঘর্ষে। বিক্ষোভ দমন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইরান সরকার। সরকারের বিরুদ্ধে পথে নামা ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ভাবনা চিন্তা করছিল তেহরান। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয় ইরানে সামরিক অভিযান করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। অবশেষে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ওয়াশিংটন। ইরান সম্বন্ধে সুর নরম করেছেন ট্রাম্প। ইরানের প্রশংসাও করেছেন তিনি।
শুক্রবার সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের নেতৃত্ব সমস্ত মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে। বৃহস্পতিবার ৮০০-র বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। ইরানের এই সিদ্ধান্তকে আমি শ্রদ্ধা করি। ধন্যবাদ।’ উল্লেখ্য বিক্ষোভ তুমুল আকার নেওয়ার আবহে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরানে সামরিক অভিযান চালানোই এখন একমাত্র উপায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। কিন্তু সেই অবস্থান থেকে পিছু হটেছেন ট্রাম্প। তবে এর নেপথ্যে চার দেশের ভূমিকা রতেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। সেই চার দেশ হল সৌদি আরব, মিশর, কাতার এবং ওমান। এই দেশগুলির মধ্যস্থতাতেই ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সৌদি আরব, কাতার, ওমান এবং মিশরের প্রতিনিধিরা চলতি সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন। কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের বার্তা দিয়েছেন তারা।
