ওঙ্কার ডেস্ক: কেপি শর্মা ওলির সরকারের দুর্নীতি ও সমাজ মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল নেপাল। সেই বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল বহু বিক্ষোভকারীর। বিদ্রোহের সময় নিহত বিক্ষোভকারীদের শহিদের মর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা করল নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান সুশীলা কার্কি। শুধু তাই নয় প্রত্যেক নিহতের পরিবারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
ছাত্র যুবদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেপি শর্মা ওলি ইস্তফা দেওয়ার পর শুক্রবার রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউডেল সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান। দুই দিন পর তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সিংহ দরবারে যাওয়ার আগে রবিবার সকালে লৈনচৌরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তাঁর মেয়াদ শুরু করেন। মঙ্গলবার অগ্নিসংযোগের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় স্থানান্তরিত করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ভবন। তিনি সেখান থেকে তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালন শুরু করেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত ৭২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যার মধ্যে ৫৯ জন বিক্ষোভকারী, ১০ জন বন্দী এবং তিনজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।
মুখ্য সচিব একনারায়ণ আরিয়াল নিশ্চিত করেছেন, বিক্ষোভের সময় নিহতদের শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, তাঁদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিক্ষোভ চলাকালীন জখম হয়েছেন, ১৩৪ জন বিক্ষোভকারী। এ ছাড়া ৫৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। নতুন সরকার আহত প্রত্যেকের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।
