ওঙ্কার ডেস্কঃ সপ্তাহান্তেই নাকি ইরানে হানা দিতে প্রস্তুত আমেরিকা। এমনই দাবি করেছে আমেরিকার দুই সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং সিবিএস। তবে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা সরাসরি সামরিক সংঘাতে যাবে কি না, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট নেননি বলেই খবর। সম্ভাব্য মার্কিন হানার কথা মাথায় রেখে দেশের পরমাণুকেন্দ্রগুলিকে সুরক্ষিত রাখছে ইরানও।
মার্কিন সংস্থা ‘ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিয়োরিটি’ উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে দাবি করেছে, ইরান পরমাণুকেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করছে। বাঙ্কার দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের উপগ্রহচিত্র দেখিয়ে মার্কিন সংস্থাটির দাবি করেছে, ইরানের দুই পরমাণুকেন্দ্র নাতান্জ এবং ইশফাহানে ঢোকার সুড়ঙ্গপথকে পাথর এবং কংক্রিট দিয়ে বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে।
বিগত বেশ কিছু মাস থেকেই ইরান আমেরিকার কূটনৈতিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। ইরানের কাছাকাছি সামরিক কার্যকলাপ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওই অঞ্চলে ৫০-এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর তরফে দাবি করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের কাছাকাছি আমেরিকার যুদ্ধবিমানের আনাগোনা কয়েক গুণ বেড়েছে।
ইরানও পাল্টা শক্তিপ্রদর্শন করেছে। হরমুজ প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা। যদিও ইরানের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপণ পরীক্ষামূলক। ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসেছিল আমেরিকা। যদিও ওই বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছর জুন মাসে ইরানের নাতান্জ, ফোরডো এবং ইশফাহান পরমাণুকেন্দ্রে আকাশপথে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা।
