ওঙ্কার ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো জোটকে প্রস্তাব দিয়েছেন চিনের উপর ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ হারে শুল্ক চাপানোর জন্য। এই আবহে এবার ওয়াশিংটনকে পাল্টা জবাব দিল বেজিং। চিনের স্পষ্ট বার্তা তাঁরা যুদ্ধে জড়াতে চান না। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান।
স্লোভেনিয়া সফরে গিয়েছেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সেখানে স্লোভেনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী টানজা ফায়নের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এর পর স্লোভেনিয়ার রাজধানী লিউবলিয়ানায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওয়াং ই বলেন, ‘চিন যুদ্ধে অংশ নেয় না, পরিকল্পনাও করে না। আমরা কেবল শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাই এবং রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে কাজ করি।’ তাঁর আরও সংযোজন, যুদ্ধ কখনও সমস্যার সমাধান করতে পারে না, বরং নিষেধাজ্ঞা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে যুদ্ধ।
শুল্ক চপানোর প্রস্তাব দিয়ে, ট্রাম্প সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘রাশিয়ার উপর শক্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে বেজিং। তাই ন্যাটোকে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে হবে। যুদ্ধ শেষ হলেই সেই শুল্ক তুলে নেওয়া যাবে। এফ ফলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানো সম্ভব হবে।’ প্রসঙ্গত, রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারত ও চিনের উপর ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইতিমধ্যে ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক চাপিয়েছে ওয়াশিংটন। যার মধ্যে ২৫ শতাংশ চাপানো হয়েছে কেবল রাশিয়ার সঙ্গে নয়াদিল্লির বাণিজ্য করার কারণে। ভারতের পর এবার চিনের দিকে নজর ট্রাম্প প্রশাসনের।
