ওঙ্কার ডেস্ক: প্রথমে নিশা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেও পরে তাঁর নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে নিশার পর আবুল হাসান নামের জনৈক ব্যক্তির নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। কিন্তু নাম ঘোষণার পর আবুলও বেঁকে বসেছেন! ফলে আবারও বিড়ম্বনায় পড়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে যাঁকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছিলেন সেই আবুল সম্পর্কে হুমায়ুনের দূর সম্পর্কের মামা হন। তাঁর দাবি, তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি যে নির্বাচনে একেবারেই লড়াই করতে চান না, তা জানানো সত্ত্বেও তাঁর নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন হুমায়ুন! জানা গিয়েছে, আবুল হাসান অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক। তাঁর নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘হুমায়ুন আমার ভাগ্নে। আমার সঙ্গে যোগাযোগও করেছিল জনতা উন্নয়ন পার্টি গটঘনের পর। আমি রাজনীতি বুঝি না। ভোটে দাঁড়ানোর জন্য ও বলেছিল। আমার সঙ্গে কোনও কথা না বলে নামও ঘোষণা করে দিয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর জনতা উন্নয়ন পার্টির নাম ঘোষণা ও দলীয় ইস্তেহার প্রকাশের সময় হুমায়ুন কবীর বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনে নিশার নাম ঘোষণা করেছিলেন। নিশা সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সমাজ মাধ্যমে তাঁর কিছু ছবিতে ‘আপত্তি’ জানান হুমায়ুন। আর সে কারণে পরে তাঁর নাম প্রত্যাহার করে নেন। নিশার নাম তুলে নেওয়ার পর হুমায়ুনের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কী ভাবে কারোর সম্পর্কে না জেনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। সেই বিড়ম্বনার পর সেই বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে আবার বিড়ম্বনায় পড়লেন কবীর।
