ওঙ্কার ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের কারণে ভারতে এলপিজি সরবরাহে কোপ পড়েছে। আর এই কারণে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে বন্ধ হতে চলেছে ৫০ শতাংশ হোটেল রেস্টুরেন্ট। ইতিমধ্যে ২০ শতাংশ হোটেল বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে মুম্বাই হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন।
রিপোর্ট অনুসারে, অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শীঘ্রই প্রায় ৫০ শতাংশ হোটেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, রেস্টুরেন্টগুলো চালু থাকা নির্ভর করছে বর্তমানে তাদের কাছে কতগুলি এলপিজি সিলিন্ডার রয়েছে। যদি পরিস্থিতি এমন চলতে থাকে, তাহলে আগামী দিনে মুম্বইয়ের প্রায় অর্ধেক হোটেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে অ্যাসোসিয়েশন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। যদিও হোটেল বন্ধ করার বিষয়ে যৌথ ভাবে তারা কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে নাকি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে তা সংশ্লিষ্ট হোটেল মালিক ঠিক করবে বলে জানিয়েছে হোটেল মালিকদের সংস্থা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের হামলার পর পাল্টা দিতে শুরু করে ইরানও। পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে প্রত্যাঘাত করে তেহরান। যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এই আবহে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ব্যাঘাত ঘটেছে। যার প্রভাব পড়েছে ভারতেও। এদিকে, বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের হঠাৎ ঘাটতি দেখা দেওয়ার পর তদন্তের জন্য তেল মন্ত্রক একটি কমিটি গঠন করেছে। সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে মন্ত্রক জানিয়েছে, রেস্টুরেন্ট, হোটেল এবং অন্যান্য শিল্পে এলপিজি সরবরাহের অনুরোধ পর্যালোচনার জন্য তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) তিনজন নির্বাহী পরিচালকের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
