ওঙ্কার ডেস্কঃ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর রাতারাতি রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, সিপি-সহ পুলিশ প্রশাসনের একাধিক শীর্ষকর্তাদের বদল করেছে কমিশন। শীর্ষকর্তার বদলি বিষয়ে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলি পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে, বদলির কারণ জানতে চেয়ে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
কমিশন একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, এমন হলে রাজ্য সরকারের কাছে নতুন নাম জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে রাজ্যকে কিছু জানানো হয়নি। সূত্রের খবর, চিঠিতে এই বিষয় উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আরও অভিযোগ, কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের কাজের রীতি মানা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরোধী।
সোমবার রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহে কেন্দ্রের হঠকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিলের পর কমিশনকে তোপ দেগে মমতা বলেন, “বাঙালি মহিলা চিফ সেক্রেটারিকে বদলে দিয়েছেন। একজন মহিলাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দিলেন।”
প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিধানসভা ভোট ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল করে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনারকে বদলি করা হয়েছিল রাতারাতি। তা ছিল নজিরবিহীন। আর সোমবার সকালে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক বদলি ঘোষণা করেছে কমিশন।
ভোটের দিনক্ষণ প্রকাশের পর রাতারাতি প্রশাসনিক পদে কমিশনের নির্দেশে রদবদল, কার্যত নজিরবিহীন বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। এই বিষয়েই এবার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মমতা।
