নিজস্ব প্রতিনিধি, নদিয়া : ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নদিয়ার কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসকে সরানোর দাবি তুললন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার সামনে দাঁড়িয়ে সেই হুংকার দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অভিযোগ, সম্প্রীতি কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পূজার ভাসান চলাকালীন কৃষ্ণনগরের একটি বারোয়ারী পুজো কমিটির নাম করে কু-কথা বলেছিলেন কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার আইসি অমরেন্দ্র বিশ্বাস।

জগদ্ধাত্রী পুজোর ভাসানে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে জনতাকে ছাত্র ভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করতে হয়েছিল পুলিশকে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরব হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কৃষ্ণনগর চকেরপাড়ায় দাঁড়িয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী তাতে সায় ছিল না খোদ বারোয়ারী কমিটির সদস্যদের। বুধবার কৃষ্ণনগর চকের পাড়া থেকে কোতোয়ালি থানা পর্যন্ত পদযাত্রায় অংশ নেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি জেলার নেতৃত্ব ও অসংখ্য বিজেপি কর্মী সমর্থক। প্রতিবাদ মিছিল শেষ করে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার সামনে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশের সমালোচনায় মুখর হন সুকান্ত মজুমদার। প্রকাশে তিনি দাবি করেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যদি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার আইসি অভিনন্দন বিশ্বাসকে সরানো না হয় তাহলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে তারা সামিল হবে।

একই সঙ্গে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালী থানার এসআই চিন্টু মাহাতোর ওপর একরাশ ক্ষোভ জানিয়ে সুকান্ত বলেন, “তিনি নাকি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অত্যন্ত বীরত্ব দেখাচ্ছেন।” তার প্রত্যেকটি কার্যকলাপ লিপিবদ্ধ করতে বলেন সুকান্ত মজুমদার। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তিনি নিজেই নেবেন বলে জানিয়েছেন। এদিন রাজ্যের পুলিশ এবং পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত মজুমদার। এদিন সুকান্ত মজুমদার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাজ্য কিষান মোর্চার সভাপতি মহাদেব সরকার, বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নদিয়া উত্তর বিজেপির সভাপতি অর্জুন বিশ্বাসও।
