ওঙ্কার ডেস্ক: কাজের জন্য বিহার থেকে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে গিয়েছিলেন কর্নাটকে। স্বামীর সঙ্গে ভিন রাজ্যে গিয়ে কাজও করছিলেন তরুণী। কিন্তু সেই জীবনসঙ্গীর বিরুদ্ধে উঠল খুনের অভিযোগ। ঘর থেকে চাদরে মোড়া পচাগলা দেহ উদ্ধার হল মহিলার। বেঙ্গালুরুর কাছে এক ভাড়া বাড়ি থেকে ওই মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর স্বামী খুন করে পালিয়ে গিয়েছে বিহারে। পুলিশের অনুমান, প্রায় পাঁচ দিন আগে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হলে প্রতিবেশীরা এই ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মহিলার নাম রিমা কুমারী। তাঁর স্বামীর নাম ধীরজ কুমার। বেঙ্গালুরু-মহীশূর এক্সপ্রেসওয়ের কাছে কুম্বালাগোডু থানা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। এক আধিকারিক জানান, ওই দম্পতি বছরখানেক আগে কাজের সন্ধানে বিহার থেকে বেঙ্গালুরুতে এসেছিলেন। গেরুপালয়ার কাছে একটি কারখানায় কাজ করতেন দুজনেই। তদন্তকারীদের অনুমান, ধীরজ কুমার চার-পাঁচ দিন আগে স্ত্রীকে খুন করে নিজের গ্রামের বাড়িতে পালিয়ে গিয়েছে। বেশ কয়েক দিন ধরে রিমা কুমারী কাজে না যাওয়ায় এক সহকর্মী ও বন্ধু বৃহস্পতিবার বাড়িতে খোঁজ নিতে আসে। তাঁরা সেখান থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে বাড়ির মালিককে জানান। তিনি এসে দরজা খুলে রিমা কুমারীর পচাগলা মৃতদেহ দেখতে পান।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি চাদরে মোড়া অবস্থায় বাড়ির ভেতরে শৌচাগারের কাছে রাখা ছিল। সম্ভবত রবিবার এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, গত চার দিন ধরে রিমা কুমারীকে দেখেননি তাঁরা, তবে প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো বাইরে কোথাও গিয়েছেন ওই মহিলা। স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, ওই দম্পতির প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল। দুজনে কাজের সন্ধানে বেঙ্গালুরুতে এসেছিলেন। ধীরজ কুমারকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।