ওঙ্কার ডেস্ক : বিস্ফোরণের পরই পুলিশ খুঁজছিল একটি লাল ইকোস্পোর্ট এসইউভি। লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত আই২০ ছাড়াও চক্রান্তকারীদের কাছে আরও একটি লাল গাড়ি থাকার খবর পায় দিল্লি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, হাই অ্যালার্ট জারির মাত্র কয়েক ঘন্টা পরে, দিল্লি পুলিশ লাল ইকোস্পোর্ট গাড়িটি খুঁজে পেয়েছে যা লাল কেল্লা বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। DL10CK0458 নম্বর প্লেটযুক্ত গাড়িটি হরিয়ানার খান্ডাবলি গ্রামের একটি ফার্মহাউসে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ওই গাড়িটির সন্ধানে দিল্লির সমস্ত পুলিশ স্টেশন, পুলিশ পোস্ট এবং সীমান্ত চেকপয়েন্টগুলিকে সতর্ক করা হয়েছিল। সন্দেহভাজন গাড়ির বিবরণ সমস্ত সীমান্ত ইউনিটে প্রচার করা হয়। গাড়িটি একটি ভুয়া ঠিকানায় কেনা হয়েছিল। গাড়িটি কেনার জন্য ডঃ উমর নবী উত্তর-পূর্ব দিল্লির একটি বাড়ির ঠিকানা দিয়েছিলেন। গভীর রাতে সেই ঠিকানায় অভিযান চালায় পুলিশ। সূত্র জানিয়েছে, গাড়িটি উমর গোয়েন্দাগিরির জন্য ব্যবহার করেছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
দিল্লি পুলিশের কমপক্ষে পাঁচটি দল গাড়িটি সনাক্ত করার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশ এবং হরিয়ানা পুলিশকেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল। সূত্র মারফত জানা গেছে,লাল ফোর্ড ইকোস্পোর্টটি দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ডঃ উমর উন নবীর নামে রেজিস্টার্ড ছিল। ১৯ অক্টোবর থেকে কাশ্মীর এবং ফরিদাবাদের একাধিক জায়গায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযানের ফলে চাপে পড়ে গিয়েছিল সন্ত্রাসবাদী মডিউলাররা। সম্ভবত তাদের কার্যকলাপের পরিবর্তণ করতে গিয়ে বিস্ফোরণটি ঘটে।
এদিকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত ডাক্তারদের ঝেড়ে ফেলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে- এটি একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান এবং জাতির সঙ্গে সংহতি বজায় রাখে। বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করছে, “আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে, আমরা জাতির সঙ্গে সংহতি বজায় রাখি এবং আমাদের দেশের ঐক্য, শান্তি এবং নিরাপত্তার প্রতি আমাদের অটল অঙ্গীকার রক্ষা করি। তাছাড়া, জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ে একটি যুক্তিগ্রাহ্য, ন্যায্য এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।” এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আল-ফালাহ গ্রুপ ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এটি ২০০৯ সালে স্বায়ত্তশাসিত হয় এবং ২০১৪ সালে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।
প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিলের পর নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দিল্লি বিস্ফোরণকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হুমকি বলে মনে করা হচ্ছে। পহেলগাঁওর জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছিল ২৬ জন। দিল্লিতে সেই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১২। নিরাপত্তা ঘটনা, যখন জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামের পর্যটন কেন্দ্রে ২৬ জন নিহত হয়েছিল।
