ওঙ্কার ডেস্ক: গত সোমবার দিল্লিতে গাড়ি থেকে বিস্ফোরণের ফলে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণঘাতী এই ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই বিষয়ে সমাজ মাধ্যমে ‘আপত্তিকর ও উস্কানিমূলক’ পোস্ট করার অভিযোগে অসমে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম মতিউর রহমান (দারাংয়ের বাসিন্দা), হাসান আলী মণ্ডল (গোয়ালপাড়ার বাসিন্দা), আব্দুল লতিফ (চিরাংয়ের বাসিন্দা), ওয়াজহুল কামাল (কামরূপের বাসিন্দা) এবং নূর আমিন আহমেদ (বোঙ্গাইগাঁওয়ের বাসিন্দা)। বুধবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি লিখেছেন, ঘৃণা ছড়াতে বা সন্ত্রাসের সমর্থনে সমাজ মাধ্যমের অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং দৃঢ় ব্যবস্থা গ্রহণ জারি রাখবে অসম পুলিশ।
সূত্রের খবর, সমাজ মাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দক্ষিণ আসামের কাছাড় জেলার এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে আটক করেছিল পুলিশ। সমাজ মাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছিল। যদিও পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দিল্লি বিস্ফোরণের পর মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল হরমিত সিংকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সমাজ মাধ্যমে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালানোর জন্য। তার কয়েক ঘন্টার মধ্যে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছিলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি যে কিছু লোক হয় ঘটনাটিকে স্বাগত জানিয়েছে অথবা ফেসবুকে খুশির ইমোজি পোস্ট করেছে। আমরা তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা খতিয়ে দেখছি। আমি ডিজিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, তারা কারা খুঁজে বের করতে এবং তারা অসমের বাসিন্দা কিনা তা যাচাই করতে।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘মানুষ যদি এমন কোনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উদযাপন করে যেখানে প্রাণহানি ঘটে, তাহলে এর মানে দাঁড়ায় তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে।’
