ওঙ্কার ডেস্ক: অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীর আয়ে ছেলের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার খরচ বহন করা সম্ভব হয়েছে কীভাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এক তথ্যের অধিকার কর্মী। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে দায়ের করা আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকে একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে কর্মজীবন কাটিয়ে অবসর নিয়েছিলেন। তাঁর ঘোষিত আয় এবং আর্থিক সামর্থ্যের সঙ্গে অভিজিৎ দীপকের বিদেশে উচ্চশিক্ষার ব্যয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারির দাবি, একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর আয়ের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে উচ্চশিক্ষার বিপুল ব্যয় বহন করা সহজ নয়। তাই পরিবারের আয়ের উৎস, সম্পত্তির বিবরণ এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, যদি পরিবারের সম্পদের পরিমাণ এবং ঘোষিত আয়ের মধ্যে কোনও অসঙ্গতি থেকে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত আইন অনুযায়ী বিষয়টি পরীক্ষা করা। শুধু রাজ্য সরকারের কাছেই নয়, নির্বাচন কমিশনের কাছেও একটি পৃথক আবেদন জমা দিয়েছেন ওই আরটিআই কর্মী। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, ককরোচ জনতা পার্টির আইনগত অবস্থান এবং রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের নিবন্ধন সংক্রান্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হোক। তাঁর অভিযোগ, যদি সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল না হয়ে থাকে, তাহলে রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে অর্থ সংগ্রহ বা অনুদান গ্রহণের বৈধতা যাচাই করা প্রয়োজন।
এছাড়াও, সাম্প্রতিক সময়ে অভিজিৎ দীপকের আইনি লড়াইয়ের জন্য রাজ্যসভার সাংসদ ও প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল এক কোটি টাকার আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছিলেন। সেই অর্থের উপর পণ্য ও পরিষেবা কর প্রযোজ্য কি না, তা নিয়েও কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক বোর্ডের কাছে আবেদন জানিয়েছেন অমিত তিওয়ারি। তাঁর মতে, অনুদান হিসেবে দেওয়া এই অর্থের কর সংক্রান্ত বিষয়গুলিও যথাযথভাবে পরীক্ষা করা উচিত।