ওঙ্কার ডেস্ক: বাড়িতে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় সেনার এক জওয়ান। পরকীয়ার পথের কাঁটা সরাতে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ওয়াসিম জেলায়। অভিযুক্ত জওয়ানের বয়স ২৮ বছর বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত তরুণীর নাম দীপালি। অভিযুক্ত জওয়ানের নাম জ্ঞানেশ্বর মাদনে। তিনি সেনার ষষ্ঠ মারাঠা ব্যাটালিয়নে কর্মরত। অভিযুক্ত এই হত্যাকাণ্ডকে প্রথমে দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করেছিলেন। নিহত তরুণীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে ওই জওয়ান ও তাঁর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে। নিহতের ভাই রাহুল মাদনের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টে নাগাদ জ্ঞানেশ্বর তাঁদের বাড়িতে ফোন করেছিলেন। তিনি জানান, দীপালি বাড়িতে পা পিছলে পড়ে গিয়েছেন। যে কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত স্ত্রীকে প্রথমে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। সেখান থেকে তাঁকে সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা পুলিশকে বিষয়টি জানান। নিহতের ভাইয়ের অভিযোগ, মাদনে অন্য এক মহিলার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দীপালির সঙ্গে প্রায়ই অশান্তি হত। স্ত্রীকে জ্ঞানেশ্বর মারধর করতেন বলে অভিযোগ।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক মণীশ ঠাকরে জানান, সরকারি হাসপাতাল থেকে পুলিশের কাছে খবর দেওয়া হয়, অ্যাম্বুলেন্সে এক মহিলার মৃতদেহ আনা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘আমাদের তদন্তকারীরা যখন হাসপাতালে পৌঁছায়, তখনই বোঝা যায় কিছু একটা রহস্য রয়েছে। ওই মহিলার গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।’ নিহতের ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই জওয়ান ও তাঁর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে হত্যার মামলা দায়ের করেছে।