কলকাতা: পুজোর পাস বিক্রিতে কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ফের ইডির তলবে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। এবার ফের আগামী সপ্তাহে তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে খবর।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ভুয়ো পাস বিক্রি করে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবারই ইন্দ্রনীলের কসবার বাড়ি, হুগলির সিঙ্গুরে তাঁর বাগানবাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ইডি। তাঁর সহযোগীদের বাড়িতেও হানা দেন গোয়েন্দারা। এরপর বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন ইন্দ্রনীল। রাত সাড়ে ৮টার পর বেরোন। ঢোকার সময় বা বেরনোর সময় সংবাদমাধ্যমের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।
শুধু ইন্দ্রনীলই নন, অভিযোগ রয়েছে তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধেও। জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি থানায় অভিযোগে দাবি করেন, দুর্গাপুজোর নামে ‘প্রিভিউ শো’ এবং ‘প্রিভিলেজড পুজো এন্ট্রি’ টিকিট বিক্রির ব্যবসা চালাচ্ছিলেন দম্পতি। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রচারে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। এমনভাবে দেখানো হয় যেন এই কর্মসূচির সঙ্গে ইউনেস্কোর সরাসরি যোগ বা অনুমোদন রয়েছে, যদিও বাস্তবে ইউনেস্কো কোনও বাণিজ্যিক চুক্তিই করেনি।
অভিযোগকারীর আরও দাবি, মধুছন্দা ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। কলকাতার দুর্গাপুজো ২০২১ সালে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পরপরই এই সংস্থা তৈরি হয়। সেই সংস্থার মাধ্যমেই পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু করেছে ইডি।