
ওঙ্কার ডেস্ক: ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দুই দিনের থাইল্যান্ডে সফরে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেদেশে গিয়ে ভারত থাইল্যান্ডের বহু প্রাচীন সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলে, ‘গভীর সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক বন্ধনের মাধ্যমে ভারত ও থাইল্যান্ডের শতাব্দী প্রাচীন সম্পর্ক সংযুক্ত। বৌদ্ধধর্মের প্রসার আমাদের জনগণকে জুড়েছে। আয়ুথায়া থেকে নালন্দা পর্যন্ত, বুদ্ধিজীবীর আদান-প্রদান হয়েছে। রামায়ণের গল্প থাই জনগণের জীবনের একটি অংশ।’ তিনি আরও বলেন, ভারত ‘সম্প্রসারণবাদ’ নয়, ‘উন্নয়নের’ নীতিতে বিশ্বাস করে।
সংস্কৃত ও পালি ভাষা নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংস্কৃত ও পালি ভাষার প্রভাব আজও ভাষা ও ঐতিহ্যে প্রতিফলিত হয়। আমার সফরের সময়, ১৮ শতকের রামায়ণের ম্যুরাল চিত্রের উপর ভিত্তি করে একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে, সে কারণে আমি থাইল্যান্ড সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রীর আরও সাংযোজন , ‘ভারত ও থাইল্যান্ড মুক্ত, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিয়ম-ভিত্তিক শৃঙ্খলা সমর্থন করে; আমরা সম্প্রসারণবাদ নয়, উন্নয়নবাদের নীতিতে বিশ্বাস করি।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদী বিমসটেক এর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলি যেমন থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মায়ানমার এবং ভুটানের প্রশাসনিক প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড সফর শুরুর আগে এক বিবৃতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিগত দশক ধরে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে আঞ্চলিক উন্নয়ন, সংযোগ এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রচারের জন্য বিমসটেক গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম হিসাবে বর্ণনা করেছেন তিনি।