ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে ডাকা সর্বদল বৈঠকে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন বিভিন্ন দলের নেতারা। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের ডাকে এই সর্বদলীয় বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে কমিশনের উদ্দেশে চোখা চোখা প্রশ্ন করেন বিজেপি বিরোধী দলের নেতারা। বাংলার এক জনও প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ দিলে বৃহত্তর প্রতিবাদ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম।
তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস অভিযোগ করেন, এসআইআর হল এনআরসি চালু করার প্রি-প্ল্যান। সিপিএম-এর তরফে সুজন চক্রবর্তী বলেন, নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই বিএলও যদি এলাকার বাইরের হন তাহলে কেন বিএলএ-রা বাইরের হলে আপত্তি কোথায়? পাশাপাশি এসআইআর এ যে এগারোটি নথির তালিকা দেওয়া হয়েছে সেগুলিই যে নাগরিকত্ব প্রমাণের আসল কাগজ, সেটা ঠিক করার দায়িত্ব কমিশনকে কে দিল? বাংলাদেশি ইস্যুতে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, অনুপ্রবেশকারী বলে তাড়িয়ে দিয়ে গরিব মানুষের ক্ষতি করা হোক সেটাও যেমন তাঁরা চান না তেমনই কোনও দল বেআইনি ভোটারদের নাম তালিকায় রাখুক, এটাও তাঁরা চান না।
এদিন সাংবাদিকদের সামনে এসে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, ‘এসআইআর আজ থেকে চালু হয়েছে। ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিএলও প্রশিক্ষণ হবে। বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে প্রত্যেক পোলিং বুথে এনুমেরেশেন ফর্ম হবে যার একটা কিউআর কোড হবে। প্রত্যেক ভোটারের একটি কিউআর কোড হবে। ওটা নিয়ে ফর্ম প্রিন্টিং হবে। এর পরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত গণনা হবে।’ তিনি আরও জানান, সোমবার মধ্যরাতে ভোটার তালিকা ফ্রিজ হওয়া পর্যন্ত তালিকায় ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯ জন।
