ওঙ্কার ডেস্ক: স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে রাজ্যে। এর আগে পানিহাটির বাসিন্দা প্রদীপ কর এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। এ বার ডানকুনিতে এক বৃদ্ধা এসআইআর আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় সরব হয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম হাসিনা বেগম (৬০)। হুগলির ডানকুনির বাসিন্দা তিনি। পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে থাকতেন। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরে সমাজের বিভিন্ন স্তরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়রা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসিনাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়েও যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। সেখানে বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধা ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তাঁর সঙ্গে তাঁর মেয়ে থাকতেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় হাসিনার নাম ছিল না বলে স্থানীয়দের দাবি। আর সে কারণে তিনি উদ্বেগে ছিলেন। সেই আবহে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।
উল্লেখ্য, এর আগে বীরভূমের ইলামবাজারেও এক বৃদ্ধ এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে কম জলঘোলা হয়নি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ইলামবাজার থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়। এসআইআর আতঙ্কে কোচবিহারেও এক জন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এই ঘটনার ক্ষেত্রে পরিবার দাবি করে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও সেখানে বানান ভুল ছিল। আর যা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন ওই বৃদ্ধ।
