মালদা: মালদায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে গঙ্গার জল বাড়েনি। বরং জল কমতে শুরু করেছে ফুলহার ও কোশি নদীতে। তবে এখনও জলবন্দী মানিকচকের ভুতনি।
গঙ্গা, ফুলহার ও কোশি নদীর জলস্ফীতির জেরে জলমগ্ন মানিকচক ব্লকের ভুতনি এলাকার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত – উত্তর চন্ডিপুর, দক্ষিণ চন্ডিপুর ও হীরানন্দপুর। কয়েক হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে উঁচু জায়গা ও বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বন্যা কবলিতদের জন্য ১৯টি ফ্লাড সেন্টার খোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও এনডিআরএফ-এর দল লাগাতার উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী বিলি করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই বিপর্যয়ে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
যদিও ত্রাণ বন্টন নিয়ে কিছু জায়গায় ক্ষোভের অভিযোগ উঠছে। তবে গত দু’বছর বন্যার সময় যে ভয়াবহ পরিস্থিতি ও দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল, এবার এখনও পর্যন্ত সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ভুতনি এলাকায় ছুটে গেছেন জেলাশাসক, স্থানীয় বিধায়ক ও সাংসদ। প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, জল কমতে শুরু করলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও প্রায় এক মাস সময় লাগবে।