স্পোর্টস ডেস্ক :এটা কি অস্ট্রেলিয়ার কালচার! এই মানসিকতা!
বছর ২০ আগে ভারতীয় দলের কোচ গ্রেগ চ্যাপেল কলকাতার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মিডল ফিঙ্গার দেখিয়েছিলেন। যা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল ক্রিকেট বিশ্ব। এবার আর এক অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বকাপার জেসন কামিন্স একই কাণ্ড করলেন। ম্যাচ হেরে লাল হলুদ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেখালেন মিডল ফিঙ্গার। হ্যাঁ, এটাও বাস থেকেই। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই দৃশ্য। সমাজমাধ্যমে তা ভাইরাল হতে সময় নেয়নি। এরপরই নিন্দার ঝড় ওঠে সবুজ মেরুনের এই ফুটবলারকে নিয়ে। দীর্ঘদিন পর যুবভারতীতে ডার্বিতে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। স্বাভাবিকভাবে লাল হলুদ জনতার উচ্ছ্বাস ছিল বেশি। লাল হলুদ ফুটবলারদের শুভেচ্ছা জানাতে যুবভারতীর প্রধান গেটের সামনে অপেক্ষা করছিলেন লাল হলুদ সমর্থকরাও।
মোহনবাগান বাস বেরোনোর সময় জয় ইস্টবেঙ্গল ধ্বনি ওঠে। বাসে দিমিত্রি পেত্রাতোসের পাশে বসে ছিলেন কামিন্স। আচমকা মুখ বাড়িয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে মিডল ফিঙ্গার দেখান। একজন বিশ্বকাপারের এই আচরণে হতভম্বই হয়ে যায় লাল হলুদ সমর্থকরা। এটা রাগের বহিঃপ্রকাশ না শিক্ষার অভাব? এর আগে দুই প্রধানের হাতাহাতি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ফুটবলারের এত কুৎসিত আচরণ দেখা যায়নি।
শুধু তাই নয়, ইস্টবেঙ্গলের এই জয়ে আবার সবুজ মেরুন কর্তাদের নুনের ছিটে দিয়েছেন একসময়ের লাল হলুদের মিডফিল্ড জেনারেল মেহতাব হোসেন। সমাজ মাধ্যমে মেহতাব লেখেন, কী কত্তা? তাহলে ওই কথাই রইলো…ওই যে বলে না, “
ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে মোহনবাগানকে হারানোর পর সৌভিক চক্রবর্তী সমাজ মাধ্যমে লেখেন, ‘আমি আমার ফুটবল জীবনে অনেক বড় ম্যাচের সাক্ষী থেকেছি। তবে নিঃসন্দেহে বলতে পারি আজকের জয়টি শুধুমাত্র একটি ডার্বি জয় নয়; এটি আমাদের বিশ্বাসের জয়, সঙ্গতির জয়, ক্লাবের জন্য আবেগের জয়! আমাগো সমর্থকেরা আবারও আজ বুঝিয়ে দিয়েছেন এই আবেগ, এই ভালোবাসা সমস্ত জেতা-হারার ঊর্ধ্বে। আমাগো প্রিয় লাল-হলুদ সমর্থক ও আমার পরিবারের পাশাপাশি আজকের জয়টি আমরা সকলে মিলে আমাদের সতীর্থ রশিদকে উৎসর্গ করতে চাই।
