নিজস্ব সংবাদদাতা : কল্যাণ ইস্যুতে মম করছে রাজ্যে রাজনীতি। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ কার্যত গ্রহণ করলেন সুকান্ত মজুমদার। কল্যাণের নির্বাচনী কেন্দ্র শ্রীরামপুরে ঢুকলেন, দস্তুর মত বাইক মিছিলও করলেন সুকান্ত মজুমদার। বাইক মিছিল থেকেই কল্যাণকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তিনি। একই সঙ্গে তৃণমূল সাংসদকে নিশানা করে তামাশা করতেও ছাড়লেন না বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি।
উল্লেখ্য, সুকান্তকে বিঁধে কল্যাণ বলেছিলেন, “শ্রীরামপুরে নরেন্দ্র মোদী এসেও কিছু করতে পারেন না। ওরকম সুকান্ত আমার পায়ের তলায় থাকে। হিম্মত থাকলে আসুক শ্রীরামপুরে। ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেব।” এখানেই খান্ত হননি তৃণমূল সাংসদ, বএকই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “এক বাপের ব্যাটা হলে সিআইএসএফ দিয়ে গুলি করত। ওরা হিংসার রাজনীতি ছাড়া কিছু জানে না। তুই ডান্ডা নিয়ে আয়। দেখিয়ে দেব ডান্ডা দিয়ে কী করতে হয়? একটা হরিদাস লোক।”
প্রসঙ্গত, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিল, এসআইআর নিয়ে প্রতিবাদ করলে গুলি করে মারব। তার উত্তরে কল্যাণ বলেন, একটা গুলি করুক, ওকে ঘরে ফিরে যেতে হবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গুলি করুক দেখুক। আমি ওর মতো ক্ষ্যাপা শেয়ালের মতো ঘুরে বেড়াই না। আমি ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করি না। মোদী না থাকলে কুকুর বিড়াল এদের নিয়ে চলে যাবে।”
কল্যাণের চ্যালেঞ্জ অ্যাকসেপ্ট করে শ্রীরামপুরে বাইক মিছিলও করেন সুকান্ত মজুমদার। তারপর কর্মী সমাবেশ থেকে বলেন, “শ্রীরামপুরে লোকজন কল্যাণের দম্ভ চূর্ণ করতে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ছুঁচোদের ভয় পেয়ো না।” তিনি আরও বলেন, “কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়ের দম্ভ চূর্ণ করে যাঁরা এখানে এসেছেন তাঁদের কুর্নিশ। কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়ের মতো ছুঁচোদের ভয় পাবেন না, এদের মাড়িয়ে যেতে হয়। এরপর কার্যত ছন্দ মিলিয়ে কল্যান বন্দোপাধ্যায়কে নিশানা করেন সুকান্ত মজুমদার। বলেন, “কল্যাণ কল্যাণ ডাক পারি, কল্যাণ গেল কার বাড়ি। আয় কল্যাণ দেখে যা বিজেপির ক্ষমতা৷”
