ওঙ্কার ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণে উঠে এসেছিল ‘সুদর্শন চক্রের’ কথা। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করতে শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবস্থা তৈরির জন্য ভারত মিশন সুদর্শন চক্র চালু করবে। ২০৩৫ সালের মধ্যে, এই নিরাপত্তা ঢালকে আরও সম্প্রসারিত, শক্তিশালী এবং আধুনিকীকরণ করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। যেখানে পাকিস্তান ‘আর্মি রকেট ফোর্স কমান্ড’ গঠনের কথা ঘোষণা করেছিল তার ঠিক কয়েক ঘন্টা পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নয়া অস্ত্রের কথা ঘোষণা করেন।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পাকিস্তানের স্থলবাহিনীর একটি শাখা হিসাবে কাজ করবে ‘আর্মি রকেট ফোর্স কমান্ড’। উন্নত প্রযুক্তি থাকায় বাহিনীটি দৃষ্টান্তমূলক হয়ে থাকবে বলে দাবি করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে এই বাহিনীর কাজ কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চিনের অনুকরণ করে এই শাখাটিকে তৈরি করেছে ইসলামাবাদ। চিনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’রও রয়েছে ‘রকেট ফোর্স’। দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ করে এই বাহিনী।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ভারতীয় সেনা যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে তার মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার তৈরি ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’। গত ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চলার সময় দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাতের সময় এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজে লাগিয়েছিল ভারতের সেনাবাহিনী। সূত্রের খবর, ‘সুদর্শন চক্র’ নির্মাণ এবং নকশা তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। শত্রুর রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনকে মাঝ-আকাশে ধ্বংস করে পাল্টা প্রত্যাঘাত করতে পারবে ভারতের ‘সুদর্শন চক্র’।
