ওঙ্কার ডেক্স : বঙ্গে এখন জারি প্রসাদ রাজনীতি। তৃণমূলের প্রসাদের পাল্টা প্রসাদ বিজেপির। দিঘার প্রসাদের পাল্টা পুরীর প্রসাদ। বিজেপি সূত্রে খবর, রথের দিন পুরী প্রসাদ আসছে বাংলায়। পাঁচ দিন ধরে প্রসাদ বিলি করা হবে। কোথায় পাওয়া যাবে এই প্রসাদ? রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রথের দিন তমলুকের গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দিরে আসবে পুরীর প্রসাদ। রথের দিন বেলা ৩টে পুরী থেকে মহাপ্রসাদ আসবে। তমলুকের গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দিরে। তবে তা গজা-প্যাড়া নয়। খোঁচা দিতে ছাড়েনি তৃণমূল। তাদের কটাক্ষ,“দেবতা নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি।যারা জগন্নাথ দেবকে মানেন, তাঁদের কাছে পুরী বা দিঘা বলে আলাদা কিছু নয়। প্রসাদটাই আসল।
উল্লেখ্য, এই প্রসাদ রাজনীতির মাঝে এবার শুভেন্দুর হালাল মন্তব্য নিয়ে নতুন করে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মিড ডে মিলে দুই সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা রাঁধুনী করে হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই ইস্যুতে বলতে গিয়ে বুধবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ওরা হালাল খেলে আমরা ঝাটকা খাবো। এরপর তিনি বলেন মিড ডে মিল কেন্দ্রের প্রকল্প। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ রাজ্যের বাড়ি বাড়ি পৌঁছতে শুরু করেছে। তার পাল্টা পুরীর প্রসাদ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহল মনে করছেন,ছাব্বিশে বিজেপি যে হিন্দুত্বের তাস খেলতে চাইছেন। তার পাল্টা দিঘার জগন্নাথ মন্দির টাম কার্ড হচ্ছে তৃণমূলের। অনেকে বলছেন, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে জয় শ্রীরাম বনাম জয় জগন্নাথ হলে অবাক হবার কিছু নেই।
