ওঙ্কার ডেস্ক: বিধ্বস্ত জম্মুকাশ্মীরের পরিস্থতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে শ্রীনগর রওনা দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল। কিন্তু সেই যাত্রাপথে মাঝ আকাশে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির জেরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ইন্ডিগোর বিমানটি। শিলা বৃষ্টির ফলে বিমানের সামনের দিকের অংশ ভেঙে যায়। বড় ধরণের দুর্ঘটনার আগেই বিমানটিকে সফল ভাবে অবতরণ করতে সক্ষম হন চালক।
বিপদে পড়া বিমানটিতে তৃণমূলের পাঁচ নেতা ছিলেন — মমতাবালা ঠাকুর, নাদিমুল হক, মানস ভুঁইয়া, ডেরেক ও’ব্রায়েন ও সাগরিকা ঘোষ। এদিন সাগরিকা ঘোষ বলেন, ‘আমরা যেন মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এলাম। ভাবতেই পারিনি বেঁচে ফিরব। এমন অভিজ্ঞতা জীবনে কখনও হয়নি।’ উল্লেখ্য, পহেলগাঁও হামলা এবং তার পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের আঘাতে জম্মুকাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে তৃণমূলের প্রতিনিধিদলটি সেখানে গিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ২১ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত শ্রীনগর, পুঞ্চ ও রাজৌরি ঘুরে দেখবে তৃণমূলের এই পাঁচ সদস্যের দল। ইতিমধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় জম্মুকাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লার সঙ্গে বৈঠক করেছে দলটি। কাশ্মীরের মানুষের দুঃখ দুর্দশা তুলে ধরার জন্য ওমর আব্দুল্লা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই দলটি জম্মুকাশ্মীরের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
