ওঙ্কার ডেস্ক: দেশের উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন জগদীপ ধনকড়। প্রাথমিক ভাবে সামনে এসেছিল, তিনি অসুস্থ বলে মেয়াদ শেষের আগে সরে দাঁড়িয়েছেন। গত বছর জুলাই মাসে তাঁর ইস্তফার পর বিরোধীরা দাবি করতে থাকেন এর পিছনে বড় কোনও কারণ রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে প্রথম নীরবতা ভাঙলেন ধনকড়। এক জনসভায় অসুস্থতার তত্ত্ব পুরোপুরি খারিজ করে দেন দেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি। অসুস্থতার কারণে তিনি ওই পদ থেকে ইস্তফা দেননি বলে সাফ জানালেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে ফের শুরু হয়েছে চর্চা।
বৃহস্পতিবার রাজস্থানের চুরুতে জগদীপ ধনকড় বলেন, ‘বলা হয় স্বাস্থ্যই সম্পদ। আমি কখনও আমার স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা করিনি। তবে পদত্যাগের ঘোষণার সময় কোথাও বলিনি যে আমি অসুস্থ। আমার বক্তব্য ছিল, আমি আমার স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিই। সেটা সকলের জন্যই প্রযোজ্য হওয়া উচিত।’ প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২১ জুলাই দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান জগদীপ ধনকড়। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিতে এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে’ পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
ধনকড় আচমকা ইস্তফা দেওয়ার পর লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, ‘তাঁর পদত্যাগের নেপথ্যে অবশ্যই বড় কারণ রয়েছে। আপনাদের কেউ হয়ত তা জানেন, আবার কেউ তা জানেন না। তবে এর নেপথ্যে যে বড় কারণ রয়েছে তা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। কেন ইস্তফার পর উনি পুরোপুরি লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেলেন তা সামনে আসা উচিত।’
