দেবাঞ্জলী কুন্ডু চৌধুরী, কলকাতা: এই অতিথি বহু প্রতীক্ষিত অতিথি। এ যেন এখন আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধেছে আমাদের। ছেড়ে যাওয়ার তো কোনো নামই নেই, বরং কাবু করে দিচ্ছে আরও।
এই অতিথি কেউ নন। তিনি শীত। সোয়েটার, জ্যাকেট, কম্বল, ব্লেঙ্কেট সহযোগে তাকে সৎকার করেছে রাজ্যবাসী। প্রথমে একটু খামখেয়ালিপনা দেখালেও এখন যেন তার আসল রূপ দেখাচ্ছে সে। শীতকাবু মানুষেরা তো অপেক্ষায় আছে কবে বিদায় নেবে এই ঋতু। তবে পাশাপাশি পিকনিক, ঘুরতে যাওয়া, আর নানা রকম খাবার খেয়ে কিন্তু এই ঠান্ডাকে চুটিয়ে বেশ উপভোগ করছে শীতপ্রিয় মানুষেরা।
চায়ের দোকান থেকে অফিসের টেবিল, সর্বত্রই এখন রাজনৈতিক তরজার পাশাপাশি চলছে শীতকে নিয়েও তরজা। কেউ সওয়াল করছে শীতকে নিয়ে, আবার কেউ জবাব দিচ্ছে তার। মোট কথা শীত কিন্তু দারুণ উপভোগ করছে সবটাই।
রবিবার দক্ষিণের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি বেশি। তবে এখন প্রশ্ন, দক্ষিণের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকলেও কেন এত হাড় কাঁপানো ঠান্ডা দক্ষিণে?
এর উত্তর দিল হাওয়া অফিস। একেই পৌষের শীত, তার উপর উত্তুরে হাওয়া তার উপর আবার আকাশের মুখ ভার। মেঘলা আকাশই মূলত দায়ী এই আবহাওয়ার জন্য। সূর্যের তাপ যেহেতু সম্পূর্ণ ভাবে ভূপৃষ্ঠ অবধি পৌঁছতে পারছে না, তাই এমন হাড় কাঁপানো শীত। এই পরিস্থিতি আরো ২ – ৩ দিন চলবে।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার উত্তরে আসা যাক।
মারাত্মক ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তরবঙ্গও। ইতিমধ্যেই দার্জিলিঙের তাপমাত্রা ২.৮ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। তবে রয়েছে এবার তুষারপাতের সম্ভাবনা। জলপাইগুড়ি, কোচবিহারসহ বেশ কিছু জেলায় রয়েছে ঝড়বৃষ্টিরও পূর্বাভাস।
দক্ষিণে ঝড়বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাই আপাতত নেই। তবে কুয়াশার প্রভাব থাকবে।
