ওঙ্কার ডেস্ক: কথায় আছে ‘ মাঘের শীত বাঘের গায়ে ‘,গত বেশ কিছু বছর ধরে যে প্রবাদ সত্য প্রমাণিত হয় নি। কারণ গতবছর শুধু নয়, বিগত কয়েকবছর এমন জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করে নি রাজ্যবাসী।
তবে এবার এমনই জাঁকিয়ে শীতে কাঁপছে বঙ্গবাসী। উত্তর শুধু নয়, দক্ষিণও রীতিমত ঠকঠক করে কাঁপছে। আর এই কাঁপুনি কিন্তু সহজে থামার নয়। এমনটাই অন্তত জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। মকর সংক্রান্তি ও মাঘের শুরুতেও একই ভাবে কাঁপবে বাংলা।
যদিও গত রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বেড়েছিল, কিন্তু সোমবার থেকে ফের ব্যাট হাতে ছয় হাঁকাতে ময়দানে নেমে পড়েছে শীত।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমতে পারে। আপাতত পারদ থাকবে স্বাভাবিকের থেকে নীচেই। উত্তরবঙ্গে আগামী সাত দিনে রাতের তাপমাত্রায় খুব বেশি হেরফের হবে না।
পাশাপাশি রাজ্য জুড়ে কুয়াশার সতর্কতা বজায় রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। উত্তরের জেলাগুলিতেও ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে।
সোমবার দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজ্যে যা শীতলতম।তবে উত্তরবঙ্গের আর কোথাও তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির নীচে নামেনি। তবে কল্যাণীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ ছাড়া, শ্রীনিকেতনে ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এতদিন তো দক্ষিণের জেলায় জেলায় চলছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে এবার উল্লেখযোগ্য ভাবে উত্তরবঙ্গের সাথে সম্মুখ সমরে নামতে চাইছে শীত! কারণ দক্ষিণের শ্রীনিকেতনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় দক্ষিণবঙ্গে রেকর্ড গড়েছিল। কিন্তু শ্রীনিকেতনকে পিছনে ফেলে সোমবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় নিজের নাম খোদাই করল কল্যানী! মানতে অসুবিধা হলেও এইটাই সত্যি। গোটা রাজ্যে দার্জিলিংয়ের পরেই দ্বিতীয়তে রেকর্ড গড়ল কল্যাণী।
