নিজস্ব সংবাদদাতা : পশ্চিমবঙ্গের এসআইআরের প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে অনলাইনে দেখা যাচ্ছে তালিকা। নিজের নাম তালিকায় রয়েছে কি না, সংশ্লিষ্ট ভোটারেরা অনলাইনে এপিক নম্বর অর্থাৎ ভোটার আইডি নম্বর বসিয়ে তা দেখতে পারবেন। প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা থেকে আপাতত বাদ গেল ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম।
খসড়া তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা থেকে আপাতত নাম বাদ পড়েছে ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের। ৬ নম্বর ফর্মের মাধ্যমে নতুন নাম যুক্ত হয়েছে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৩৬ জনের। ৮ নম্বর ফর্মের মাধ্যমে নাম যুক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৬৭১ জনের। শনিবার প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪।
তবে সূত্রের খবর, শনিবার প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী যে ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪ জনের নাম রয়েছে, তার মধ্যে ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম এখনও বিচারকদের বিবেচনাধীন পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে বাদ যেতে পারে কিছু নাম। একই সঙ্গে নতুন ভোটারদের নামও যুক্ত হবে।
শনিবার তালিকা প্রকাশ করতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল স্বীকার করে নেন, ‘কিছু ভুলভ্রান্তি’ হয়েছে। পাশাপাশি তিনি এ-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই বিরাট প্রক্রিয়ায় এই ভুল নিতান্তই সামান্য। মনোজ এ-ও জানিয়েছেন, যেখানে যেখানে ভুল হয়েছে, সেখানে সেখানেই কমিশন পদক্ষেপ করেছে।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরও বলেন, ‘‘দু’টি বিধানসভার তালিকা আপলোড করার ক্ষেত্রে সফ্টঅয়্যারে কিছু সমস্যা ছিল। সেই দুই বিধানসভা হল যাদবপুর এবং বিধাননগর।’’
শনিবারের প্রকাশিত প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকায় ‘ক্যাটেগরি’ আকারে ভোটারদের চিহ্নিত করেছে কমিশন। যাঁরা বাদ পড়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ‘ডিলিটেড’ লেখা হয়েছে। নাম রয়েছে, অথচ নথি যাচাই এবং নিষ্পত্তি হয়নি, ওই ৬০ লক্ষ তালিকায় লেখা ‘বিচারাধীন’। এ ছাড়া যোগ্য ভোটারদের ‘অ্যাপ্রুভড’ করা হয়েছে।
নাম বাদের পাশাপাশি এই তালিকায় নতুন নাম যুক্তও করেছে কমিশন। ফর্ম-৬ পূরণ করে ভোটার হিসাবে আবেদন করেছেন প্রায় ৯ লক্ষ ভোটার। কমিশনের মতে, তাঁদের বেশিরভাগই নতুন ভোটার হতে চেয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এ ছাড়া খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন এমন অনেক ভোটারও রয়েছেন।
