স্পোর্টস ডেস্ক : রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে প্রথমবার শিরোপা পেয়ে ইতিহাস তৈরি করল জম্মু কাশ্মীর। ফাইনালে কর্ণাটকের মত দল দাঁড়াতেই পারেনি তাঁদের কাছে। শনিবার ম্যাচের পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় সেশনে অধিনায়ক পরশ ডোগরা ইনিংস ডিক্লেয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই কর্ণাটক জানিয়ে দেয় তারাও আর খেলতে চায় না। তারপরেই ম্যাচ ড্র-এর ঘোষণা আম্পায়ার। প্রথম ইনিংসে বড় লিডের ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন হয় জম্মু ও কাশ্মীর। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে উচ্ছ্বাস। ফাইনালের পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় সেশন চলাকালীনই স্পষ্ট হয়ে যায় জম্মু ও কাশ্মীরের ঐতিহাসিক জয়ের পথ।
ওপেনার কামরান ইকবাল দিনের প্রথম সেশনেই দুর্দান্ত শতরান করেন। অন্যদিকে মিডল অর্ডারের ব্যাটার সাহিল লোত্রা ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় অর্ধশতরান করে শতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছে যান।
দিনের দ্বিতীয় সেশনে শতরান পূর্ণ করেন তিনিও। তারপরেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করেন পরশ ডোগরা। দলের সতীর্থদের পাশাপাশি মাঠে উপস্থিত হয়ে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে উঠে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান। রঞ্জি ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জম্মু ও কাশ্মীর। তারা প্রথম ইনিংসে ৫৮৪ রান তোলে। দলের হয়ে শতরান করেন শুভম পুন্ডির (১২১)। জবাবে কর্ণাটক ক্রিকেট দলকে ২৯৩ রানে গুটিয়ে দেয় চ্যাম্পিয়ন দল। রঞ্জির চলতি মরশুমে বাকি ম্যাচের মতোই ফাইনালেও পেসার আকিব নবি পাঁচ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।
কর্ণাটকের হয়ে একমাত্র বড় ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞ ময়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনি ১৬০ রান করেন। প্রথম ইনিংসে ২৯১ রানের লিড পাওয়ার পরই রঞ্জি জয় কার্যত সময়ের অপেক্ষা ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেই লিড পৌঁছে যায় প্রায় ৬০০-র কাছাকাছি। এই বিশাল সংখ্যক রানই কার্যত জয়ের পথ প্রশস্ত করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম ইনিংসের বিশাল ব্যবধানের জেরেই ইতিহাস গড়ে রঞ্জি ট্রফি জিতে নেয় জম্মু ও কাশ্মীর।