নিজস্ব সংবাদদাতা : শেষ হয়েছে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন। এরইমধ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের আগে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন। সেই প্রেক্ষিতে প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। এবার নির্বাচন কমিশনার সুত্রে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বুথগুলিতে ঢোকার আগে থেকেই ১০০ মিটার চৌহদ্দি জুড়ে সম্পূর্ণ রূপে সিসিটিভি দিয়ে মোড়া থাকবে। এতদিন প্রথম দফার ভোটের আগে বুথের মধ্যে একটি এবং বাইরে একটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকত। এ বার বুথমুখী রাস্তাতেও বসবে সিসি ক্যামেরা। তার সঙ্গে বুথের ১০০ মিটার এলাকায় অনুমতি নেই, এমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। কারোর যদি কোনও নির্দিষ্ট কারণবশত বাইরে জেতে হয়, তাহলে লাগবে ডি এম-র ছাড়পত্র।
প্রসঙ্গত, রবিবার সকালে মনোজ কুমার আগরওয়াল নির্বাচনী বৈঠকের উদ্দেশে কাকদ্বীপে যান। সেখান থেকে সরাসরি কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দফতরে যান তিনি। ওই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল আগামী দ্বিতীয় দফার নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করা।
বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে জানান, ‘প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললাম। ওঁদের আশঙ্কার কথা শুনলাম। রাজ্যে ভোট হবে অবাধ। ভুয়ো ভোট, হুমকি— এ সব হতে দেব না।’’ তার পরেই মনোজ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আশ্বস্ত করছি, ভোট দিন। ভোটদানের হার যাতে ৯০ শতাংশের বেশি হয়, তা নিশ্চিত করুন। এটা আপনার সাংবিধানিক অধিকার।’’ তাঁর সঙ্গে, ভোট দিতে কেউ বাধার সৃষ্টি করলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সকল ভোটকেন্দ্র গুলিকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলার কথা বলেছিল। সেই মত, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের আগে বুথের অভ্যন্তরে দুই স্তরে ভোটারদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করা হয়েছে। একাধিক ধাপে যাচাইয়ের মাধ্যমে ভুয়ো ভোটারদের আটকাতেই এই ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। তাদের মতে, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং কোনওরকম অনিয়ম রুখতেই এই বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি।