শুক্লা মাইতি,
রবিবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে হতে চলেছে ২ দফায় ভোট। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল ১৫২ টি আসনে নির্বাচন, এরপর ২৯ শে এপ্রিল ১৪২ টি আসনে হবে নির্বাচন। ভোট গণনা সম্পন্ন হবে ৪ই মে। ভোট ঘোষণা হতেই নড়েচড়ে বসেছে শাসকদল সহ বাকি রাজনৈতিক দল গুলি। নির্বাচনে নির্দিষ্ট আসনে যথেষ্ট স্ট্রাটেজিক্যালি প্রার্থী দেয় সব দলই। বলাই বাহুল্য গত বারের নির্মম হারের পর ফের আসার পোল বাঁধছে বামফ্রন্ট। সুত্রের খবর সোমবারই প্রকাশিত হতে পারে বামেদের প্রার্থী তালিকা।
তবে, যাদবপুরে গত কয়েকদিনের জনসংযোগের পর অনেকেই ভাবছেন সেখানের প্রার্থী হতে পারেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। গুঞ্জন উঠছে সম্ভবত পানিহাটিতে কলতান দাসগুপ্ত , বরানগরে সায়নদ্বীপ ভট্টাচাৰ্য্য, উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখার্জি। তবে এটা কি শুধুই জল্পনা নাকি বাস্তবতাও রয়েছে তা যাচাই করতে অপেক্ষা করতে হবে বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত ।
তবে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু জানিয়েছেন, “আমরা বামপন্থার পুনরুত্থান করতে চাই সেই কারণেই আমাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে সময় লাগছে, তবে সোমবার বামফ্রন্টের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে”। তিনি আরো বলেন, বিজেপি এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে একটি কমন প্লাটফর্ম তৈরি করতে চাইছি। অন্যদিকে নির্বাচনের কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন এসেছিল তখন বামপন্থীদের তরফ থেকে সর্বদলীয় বৈঠকে এক অথবা দুই দফা নির্বাচন করার দাবি জানানো হয়েছিল। এছাড়াও SIR নিয়ে জটিলতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের শান্তিপুর এবং অবাধ নির্বাচন প্রয়োজন। কোনভাবেই যেন মৃত ভোটাররা ভোট দিতে না আসতে না পারে সেটা দেখা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কর্তব্য।
যদিও আগের নির্বাচন গুলিতে এক ঝাঁক নতুন প্রজন্মকে সামনে রেখেই নির্বাচন লড়েছিল বামেরা । তবে এইবার প্রতিকউর রহমানের তৃণমূলে যোগদানের পর শেষ মুহুর্তে নিজেদের কতোটা গোছাতে পারবে বামেরা সেটাই এখন প্রশ্ন। কোন আসনে কোন মুখ , তার পিছনে থাকবে কি রাজনৈতিক কৌশল এই সব রহস্যভেদ এখন শুধু তালিকা প্রকাসের অপেক্ষায়। এবারে খাতা খুলবে ISF সমর্থিত বাম নাকি, এবারেও ভাগ্যের সিকে ছিঁড়বে না তাদের।
