ওঙ্কার ডেস্কঃ এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত তৃণমূল। আগামী ৬ মার্চ ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৮ সালে এখানেই ২৬ দিন ধর্নায় বসেছিলেন মমতা, সেকথাও মনে করিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।
২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর, রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই সময় থেকে বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা আশঙ্কা করেছিলেন ইচ্ছাকৃতভাবে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বিধানসভা ভোটে জিততে বিজেপি নয়া ছক কষেছে বলেও দাবি করেছিলেন মমতা। একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলেও যে আন্দোলন হবে, সেকথা বারবার জানিয়েছেন মমতা-অভিষেকরা। ভোটের আগে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত তৃণমূল। আগামী ৬ মার্চ ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গাদের তালিকা কেন প্রকাশ করছে না নির্বাচন কমিশন। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দেওয়া গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, ৬ মার্চ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা ধর্নায় যোগ দেবেন এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে থাকবেন।
সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে অভিষেকের হুঁশিয়ারি, “বেশি চালাকি করতে যাবেন না। আপনাকে চ্যালেঞ্জ করলাম আমার নামে মামলা করুন। আমি তাহলে মামলা লড়ার সুযোগ পাব। ধরে ধরে মুখোশ খুলব। আপনি যাদের অ্যাজুডিকেশন করেছেন তারাই আপনাদের ৬ মাসের মধ্যে বিচারাধীন করবে।” নাম বাদ যাওয়া দলীয় কর্মীদের ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার পরামর্শও দেন অভিষেক।
