নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দিন যত এগোচ্ছে, গ্যাসের সঙ্কট ততই যেন প্রকট হচ্ছে। সাধারণ মানুষের রান্নাঘর তো বটেই, পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান ও রেস্তোরাঁয় নেই এলপিজির পর্যান্ত সাপ্লাই। এই পরিস্থিতিতে দোকান চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বহড়ু বীণাপাণি মিষ্টান্ন ভান্ডারে ঢুঁ মেরে দেখা গেল তারাও গ্যাস সঙ্কটের শিকার। এই দোকানের মালিক গণেশ দাস বলেন বেশ কিছুদিন ধরেই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এখন বেশি টাকা দিয়েও গ্যাস পাচ্ছি না।
গণেশ দাস বলেন, ‘আগে বাণিজ্যিক গ্যাস নিতাম ১৮০০ টাকা করে, এখন সেই গ্যাস ২৪০০ থেকে ৩ হাজার টাকা বেশি দাম দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না। তাই অনেক মিষ্টির আইটেম বাদ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ছানার মিষ্টিগুলি যেগুলিকে দুধ ফুটিয়ে গাঢ় করে ছানায় পরিণত করে তৈরি হয়। সেগুলি আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে এলপিজি গ্যাসের জন্য। যদি এই সমস্যা আরো দু-তিন দিন চলতে থাকে সম্পূর্ণভাবে দোকান বন্ধ রাখতে হবে। এ ছাড়া আর অন্য কোন উপায় নেই।’
বিষয়টি নিয়ে মিষ্টি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ভবানী সরকার বলেন, ‘খবর দেখে ধীরে ধীরে আমি আশ্বস্ত হচ্ছি। তবে যতক্ষণ না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না।’ এছাড়াও তিনি বলেন, ‘এই গ্যাস সঙ্কটের জন্য দুধ ব্যবসায়ীদেরও ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। মিষ্টির দোকানগুলোতে গ্যাস না থাকায় দোকানদারেরা দুধ কিনতেও চাইছেন না।’ প্রসঙ্গত, মিষ্টির দোকান ও রেস্তোরাঁর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বহু মানুষ। গ্যাস সঙ্কটের জেরে তাঁদের রুটিরুজিতে টান পড়েছে।
