ওঙ্কার বাংলা: বিধান সভায় পালাবদলের পরে শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই এলাকায় তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। তৎপর রয়েছে জেলা বিজেপিও। বুধবার ফলতার ফতেপুর ফুটবল মাঠে একটি বড় জনসমাবেশ থেকে শুভেন্দু জানান “সরকার পরিষেবা দিতে বদ্ধপরিকর। আপনারা আবেদন করুন। বিন্দুমাত্র বিচলিত হবেন না। যোগ প্রাপকরা সাহায্য পাবেন।”
বুধবার ফলতার জনকল্যাণ শিবিরে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান বাড়ানো হচ্ছে শিবিরের সময়সীমা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই শিবির চলবে। শুভেন্দু বলেন, “এত কম সময়ে রাজ্যের প্রান্তিক এলাকায় শিবির করা যায়নি। লম্বা লাইন রয়েছে শিবিরগুলিতে। আপনারা আবেদন করুন। সরকার সাহায্য করবে। জন সাধারণের কথা মাথায় রেখে আগামিকাল পর্যন্ত এই শিবির চলবে।” ফলতার শিবির থেকে তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেছেন। আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা, সূর্য ঘর যোজনার সুবিধার কথা জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে প্রায় ১১০০ জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে। প্রথমে সোমবার অর্থাৎ ১৫ জুন ১৭ জুন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত শিবিরের কথা জানানো হয়। প্রত্যেক শিবিরে ৫৪টি জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা বলে জানিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি জানালেন, আরও একদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই শিবির চলবে। তার সঙ্গে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য কেন এত কড়াকড়ি করা হচ্ছে সেই নিয়ে ব্যাখ্যা ও দেন তিনি। স্পষ্টভাষায় জানালেন, যাঁদের সন্তানরা সরকারি বা সরকার পোষিত স্কুলে পড়েন তাঁরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন। বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে যদি সরকারের অনুমোদন থাকে তাহলে মিলবে ৩ হাজার টাকা। অন্যথায় নয়। কিন্তু কেন? তিনি জানিয়েছেন, সরকার চায় প্রকৃত প্রাপকরায় এই অনুদান পাক। প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছি, ১৫ জুন থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত এই শিবির চলবে। রাজ্যে মোট ১১০০ শিবিরের আয়োজন করা হয়। তবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, আয়ুষ্মান প্রকল্প-সহ নানা প্রকল্পের জন্য বিভিন্ন শিবিরে সকাল থেকে বেলা পর্যন্ত লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে। সরকারের নানা প্রকল্পের সুবিধা দিতে এবং একাধিক প্রকল্পের ফর্ম পূরণ, নথিভুক্তিকরণ ও যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করার জন্য এই শিবিরের আয়োজন করা হয়। বিগত সরকারের আমলে ‘দুয়ারে সরকার’-এর ন্যায় পরিষেবামূলক এই শিবির হয় জেলায় জেলায়।