ওঙ্কার ডেস্ক: তারাপীঠের হোটেল অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে আরও এক জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে হোটেলমালিকের বাবা প্রবীর পালকে গ্রেফতার করা হয়। তারাপীঠ থানার পুলিশ তাঁকে পাকড়াও করে। এর আগে হোটেলমালিক কল্যাণ পালকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, বাবা-ছেলে মিলে হোটেলটি পরিচালনা করতেন। এদিকে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ন’জন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ জনই মেঘালয়ের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্যও রয়েছেন। ইতিমধ্যে হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। নিয়ম মেনে ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আবাসিকদের অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। অনেক আবাসিকের দাবি, হোটেলের পিছনের একটি দরজা বন্ধ ছিল। ফলে আগুনের সময় সেখান দিয়ে বেরোনোর সুযোগ পাননি তাঁরা। সেই অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হোটেলের পাশে যে পুকুর রয়েছে সেখানে কেউ প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপ দিয়েছেন কিনা, বা কোনও দেহ ডুবে রয়েছে কিনা তার সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, নিখোঁজদের কেউ হয়তো আতঙ্কে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে থাকতে পারেন। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে ডুবুরি নিয়ে যায় পুলিশ। পুকুরে তল্লাশি চালানোর প্রস্তুতি শুরু হয়। সূত্রের খবর, আগুন লাগার সময় হোটেলে প্রায় ৪৩ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২২ জনকে প্রথমে উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে তাঁদের কয়েক জনের মৃত্যু হয়। এখনও কয়েক জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের খোঁজেই পুকুরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।