Skip to content
অক্টোবর 22, 2026
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play

Onkar Bangla

Only Truth

Primary Menu
  • কলকাতা
  • জেলার খবর
  • রাষ্ট্র
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোক মঞ্জির
  • সম্পাদকীয়
    • এডিট
    • পোস্ট এডিট
  • খেলা
  • বিনোদন
  • পাঁচফোড়ন
  • দৈনন্দিন
    • স্বাস্থ্য
    • ভ্রমন
    • রান্না
    • রাশিফল
    • রুপটান
  • রবি লেখা
    • গল্প
    • ধারাবাহিক
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা
    • বুক রিভিউ
  • যোগাযোগ করুন
  • ভিডিও
  • লাইভ
  • Home
  • সম্পাদকের পাতা
  • পোস্ট এডিট
  • শিক্ষার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন : সাবিত্রীবাঈ ফুলে-র উত্তরাধিকার

শিক্ষার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন : সাবিত্রীবাঈ ফুলে-র উত্তরাধিকার

Online Desk সেপ্টেম্বর 6, 2025
W-E.jpg

সাবিত্রী ঠাকুর

শিক্ষক দিবস হল জ্ঞানের মাধ্যমে আমাদের জাতির ভাগ্য গঠনকারী ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে একটি পবিত্র উপলক্ষ। এই দিনে, ভারতের প্রথম মহিলা শিক্ষিকা এবং বিপ্লবী সংস্কারক সাবিত্রীবাঈ ফুলের (১৮৩১-১৮৯৭) অসাধারণ অবদানকে স্মরণ করা উচিত, যিনি আমাদের দেশে নারী শিক্ষার ভিত্তি স্থাপনের জন্য বহু পুরনো কুসংস্কারকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।

যখন নারী শিক্ষাকে অবজ্ঞা করা হত এবং প্রায়ই তীব্র বিরোধিতা করা হত, সেই সময়ে সাবিত্রীবাঈ ফুলে, তাঁর স্বামী মহাত্মা জ্যোতিবা ফুলে-র সঙ্গে ১৮৪৮ সালে পুনেতে মেয়েদের জন্য স্কুল চালু করেন। তিনি কেবল শিক্ষকতাই করতেন না, পাঠ্যক্রমও তৈরি করতেন এবং নারীদের জ্ঞান অর্জনে অনুপ্রাণিত করার জন্য কবিতাও লিখতেন। তাঁর জীবন ছিল সাহসের প্রমাণ – গোঁড়া পুরুষরা যখন তাঁকে কাদা ও পাথর ছুঁড়ে মারত, তখন তিনি প্রতিদিন একটি অতিরিক্ত শাড়ি পরে স্কুলে যেতেন। তবুও তিনি অটল ছিলেন, কারণ তিনি জানতেন যে ভারতের ভবিষ্যৎ তার মেয়েদের শিক্ষার উপর নিহিত।

সংস্কারকদের উত্তরাধিকার এবং সমতার আহ্বান

সাবিত্রীবাঈ ফুলে তাঁর সংগ্রামে একা ছিলেন না। ভারতের সমাজ সংস্কারের যাত্রায় নেতৃত্ব দিয়েছেন রাজা রামমোহন রায়ের মতো দূরদর্শী ব্যক্তিত্বরা, যাঁরা সতীদাহ, বাল্যবিবাহ এবং নারী শিক্ষার গোঁড়ামির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন; ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, যিনি বিধবা পুনর্বিবাহ এবং মেয়েদের শিক্ষার পক্ষে ছিলেন; এবং পরবর্তীকালে মহাত্মা গান্ধীর মতো নেতা, যিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘নারীদের শিক্ষা সামাজিক পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহক’। এই সংস্কারকদের প্রত্যেকেই বিশ্বাস করতেন যে শিক্ষার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া ভারত প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করতে পারবে না।
.

এই উত্তরাধিকার আধুনিক ভারতের আকাঙ্ক্ষাকে রূপ দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রায়ই জোর দিয়ে বলেন যে ‘ভারতের উন্নয়ন যাত্রা নারী-নেতৃত্বাধীন উন্নয়নের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।’ বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর দৃষ্টিভঙ্গি জাতি গঠনে সমান অংশীদার হিসেবে নারীর ক্ষমতায়নের উপর ভিত্তি করে, যেখানে শিক্ষা এই ক্ষমতায়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

নারী ও শিক্ষা: এখন পর্যন্ত অগ্রগতি

এক্ষেত্রে স্বাধীনতার পর থেকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। নারী সাক্ষরতা, যা ১৯৫১ সালে মাত্র ৮.৮৬% ছিল, আজ ৬৫.৪৬% (জনগণনা ২০১১)-এ উন্নীত হয়েছে এবং সাম্প্রতিক জরিপগুলিতে স্কুলে মেয়েদের ভর্তির হার বেশি বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ইউনিফাইড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন (ইউডিআইএসই+) ২০২১-২২ অনুসারে, প্রাথমিক স্তরে মেয়েদের মোট ভর্তির অনুপাত (জিইআর) এখন ছেলেদের তুলনায় বেশি।

২০১৫ সালে চালু হওয়া মোদী সরকারের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পটি দেশে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে, শিশু লিঙ্গ অনুপাত উন্নত করেছে এবং স্কুলের প্রতিটি স্তরে মেয়েদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে। ‘পোষণ অভিযান’, ‘মিশন শক্তি’ এবং ‘সামর্থ্য’-এর মতো উদ্যোগগুলি একটি সামগ্রিক কাঠামো প্রদান করে – পুষ্টি, সুরক্ষা এবং সুযোগ দ্বারা সমর্থিত শিক্ষাকে সুনিশ্চিত করেছে। ইউডিআইএসই+ ২০২৪-২৫ তথ্য অনুসারে, প্রথমবারের মতো, মহিলা শিক্ষকরা এখন ভারতের মোট স্কুল শিক্ষকের ৫৪.২ শতাংশ, যা ২০১৪-১৫ সালের পরিসংখ্যান অনুসারে ৪৬.৯% থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
.
এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপে, নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক জাতীয় জনসাধারণের সহযোগিতা ও শিশু উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এনআইপিসিসিডি)-এর নাম পরিবর্তন করে সাবিত্রীবাই ফুলে জাতীয় নারী ও শিশু উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসপিএনআইডব্লিউসিডি) রেখেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি নারী ও শিশু সম্পর্কিত কর্মসূচিগুলিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যাতে নীতিগুলি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়। সাবিত্রীবাঈ ফুলের নাম গ্রহণ করে, এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা ও সংস্কারের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়নের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি জীবন্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে কাজ করে চলেছে।

তবুও অনেক সমস্যা রয়ে গেছে। বাল্যবিবাহ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং অর্থনৈতিক চাপের কারণে মাধ্যমিক স্তরে মেয়েদের স্কুলছুট বৃদ্ধির হার বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। সরকার বৃত্তি, আবাসিক সুবিধা, মাসিক স্বাস্থ্যবিধি উদ্যোগ এবং ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগের মাধ্যমে এই সমস্যাগুলি সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যাতে প্রতিটি মেয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে তার শিক্ষা চালিয়ে যেতে পারে।

জাতি-নির্মাতা হিসেবে শিক্ষকরা

মহিলা শিক্ষকদের ভূমিকা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁরা শুধু জ্ঞান প্রদানই করেন না বরং লক্ষ লক্ষ তরুণীর জন্য আদর্শ হয়ে ওঠেন, সাবিত্রীবাঈ ফুলে-র মশালকে এগিয়ে নিয়ে যান। গবেষণায় দেখা গেছে যে গ্রামীণ এলাকায়, মহিলা শিক্ষকদের উপস্থিতি মেয়েদের স্কুলে ভর্তি এবং ধরে রাখার হার বৃদ্ধি করে। দারিদ্র্যের চক্র ভাঙতে এবং পরিবারগুলিকে উন্নত ভবিষ্যতের জন্য ক্ষমতায়িত করার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষক দিবসে, আমরা কেবল শিক্ষক পেশাকেই নয়, বরং এর বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিকেও উদযাপন করি – জ্ঞানকে মুক্তি, শিক্ষাকে ক্ষমতায়ন এবং শিক্ষাদানকে জাতি গঠন।

বিকশিত ভারত-এর পথে

২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত যখন উন্নত জাতিতে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তখন শিক্ষাই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রভাব বহুগুণ বৃদ্ধি করে: শিক্ষিত নারীরা উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, শিশুমৃত্যুর হার কমানো, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং শক্তিশালী সম্প্রদায় নিশ্চিত করে। ইউনেস্কোর মতে, একজন মেয়ের প্রতি অতিরিক্ত বছর স্কুলে পড়াশোনা তার ভবিষ্যৎ আয় ১০-২০% বৃদ্ধি করে।

অতএব, নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক তাঁর পরিকল্পনাগুলিকে মানসম্মত শিক্ষা এবং SDG 5 (লিঙ্গ সমতা) এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে চলেছে, যাতে কোনও মেয়েই পিছিয়ে না থাকে। পুষ্টি, নিরাপত্তা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সাথে শিক্ষাকে একীভূত করে, আমরা এমন একটি বাস্তুতন্ত্র তৈরি করছি যেখানে মহিলারা ছাত্র, শিক্ষক, উদ্যোক্তা এবং নেতা হিসেবে সাফল্য অর্জন করতে পারবেন।

একটি সম্মিলিত সমাধান

সাবিত্রীবাঈ ফুলের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সত্যিকারের অগ্রগতি সাহসের মাধ্যমেই জন্ম নেয়। পুনেতে তার সাধারণ শ্রেণীকক্ষ থেকে শুরু করে আধুনিক ভারতের শ্রেণীকক্ষ যেখানে কোটি কোটি মেয়ে প্রতিদিন শেখে, এই যাত্রা নারী এবং শিক্ষার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিতে এক গভীর পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়। কিন্তু লক্ষ্য এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।

শিক্ষক দিবস উদযাপনের সময়, আসুন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর দষ্টিভঙ্গি এবং তাঁর আহ্বানের প্রতি নিজেদেরকে পুনরায় উৎসর্গ করি। একথা অনুভব করি যে, নারীর ক্ষমতায়ন শুধুই তাঁদের কল্যাণের বিষয় নয়, বরং জাতীয় শক্তির বিষয়। প্রত্যেক মেয়ের শিক্ষা, প্রত্যেক মহিলার ক্ষমতায়ণ আর প্রত্যেক শিক্ষককে সম্মানিত করা সুনিশ্চিত করে যে, আমরা আমাদের স্বপ্নের ভারত গড়ে তুলতে পারি।

সাবিত্রীবাঈ ফুলে-র উত্তরাধিকার কেবল ইতিহাস নয় – এটি আমাদের বর্তমানের জন্য একটি জীবন্ত পথপ্রদর্শক এবং আমাদের ভবিষ্যতের জন্য একটি আলোকবর্তিকা। তাঁর সাহসের আলোকে, আমরা উন্নত ভারতের পথ দেখতে পাই, এমন একটি উন্নত ভারত – আমাদের কন্যা এবং পুত্ররা সমানভাবে যার নেতৃত্বে থাকবে।

লেখিকা ভারত সরকারের মহিলা ও শিশুবিকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী

Continue Reading

Previous: হাসপাতাল কক্ষে বিয়ের আসর, বাংলাদেশে বেনজির দৃশ্য
Next: মিড ডে মিল এর চাল চুরি করে নিজেকে শিক্ষক বলা যায় না; শিক্ষক দিবসে বিতর্কিত মন্তব্য বর্ধমানের পুর প্রধানের

সম্পর্কিত গল্প

Ghostly-Portrait-Over-a-Distant-Couple.jpg

‘জেন জি’দের কাছে শিক্ষনীয় রুকমাবাঈ ! যিনি ব্রেক আপের ইতিহাসে নজির সৃষ্টিকারী প্রথম ভারতীয় মহিলা চিকিৎসক

Online Desk অক্টোবর 20, 2026
Indias-Regional-Voices-Rally-at-Parliament.jpg

সারা দুনিয়ার নিরিখে ভারতে রাজনৈতিক দলের সংখ্যা সর্বোচ্চ, গণতন্ত্রের সুফল, না বঞ্চনার প্রকাশ

Online Desk অক্টোবর 19, 2026
WhatsApp-Image-2026-10-18-at-15.48.41.jpeg

ই-কমার্স কিংবা অনলাইনের দাপটে মার খাচ্ছে মেট্রো শহরগুলির ব্যবসায়ীরা, স্বহস্তে বাজার না করে খাঁটি, ভেজাল চেনার সুযোগ হারাচ্ছে গ্রাহকরা

Online Desk অক্টোবর 18, 2026

You may have missed

CJP.jpg

৭ দিন কারাবাসের পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
India-Election-Administration-Montage.jpg

সম্পাদকীয়

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
1000437867.webp

চোরবাগানকাণ্ডে হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে ৬ সদস্যের সিট গঠন রাজ্যের, নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
1000437693.webp

হ্যাকার হানায় এসবিআই-এর প্রায় চার হাজার গ্রাহকের তথ্য ফাঁস, স্বীকার করল ব্যাঙ্ক

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
  • Get in Touch
  • Privacy Policy
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play
Copyright © All rights reserved. | Designed and Maintained by UQ Labs.