স্পোর্টস ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্টের দিকেই তাকিয়ে ছিল আপামর ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু আশার বাণী পেলেন না কেউই। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পিএস নরসীমা ও অতুল চন্দুরকরের ডিভিশন বেঞ্চ এআইএফএফ ও এফএসডিএল -কে নির্দেশ দিয়েছে, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে মাস্টার রাইটস এগ্রিমেন্ট (এমআরএ)চূড়ান্ত করতে। ২৮ অগাস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি। এমআরএ ইন্ডিয়ান সুপার লিগের প্রশাসনিক কার্যকলাপের মূল কাঠামো। বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে।
সুপ্রিম রায়ের পর দুই সংস্থা একসঙ্গে বসে আইএসএল নিয়ে জটিলতা কাটাতে পারলে ভাল, না হলে বিশবাঁও জলে ডুববে এবারের আইএসএল। কারণ এমআরএ নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় চলতি বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২৫-২৬ মরশুমের আইএসএল স্থগিত রাখা হয়েছে। এমনকি এবারের ফুটবল মরশুমেও রাখা হয়নি আইএসএল।এর আগে আইএসএলের ক্লাবগুলি বর্ষীয়ান আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে আইএসএলের অচলাবস্থা কাটাতে আবেদন করেছিল।
সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য ছিল, ফেডারেশনের খসড়া সংবিধান চূড়ান্ত করার বিষয়টির আগে জাতীয় ক্রীড়া বিলকেও মাথায় রাখতে হচ্ছে। সব পক্ষের মতামতই শুনবে তারা। এই পরিস্থিতিতে এদিন সুপ্রিম কোর্ট ফেডারেশন এবং এফএসডিএল দুই পক্ষকেই আলোচনায় বসার কথা বলে। অনেকেই মনে করছেন, সুপ্রিম এই রায়ের পর অচলাবস্থা কাটাতে একটা মধ্যস্থতায় আসতে পারে দু’পক্ষ। তাতে আইএসএলের ঢাকি কাঠি পড়ার সম্ভাবনাই প্রবল। আইএসএল অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্লাব-ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলোর মালিকরাও দোটানায় পড়ে যান। ওড়িশা এফসি, বেঙ্গালুরু এফসি, চেন্নাইয়িন এফসি’র মালিকরা স্টাফ, ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দিয়ে ফুটবল সংক্রান্ত কাজও বন্ধ করে দেয়। এরপর বেশকিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্লাব একজোট হয়ে দ্রুত সমাধান করতে ফেডারেশনকে চিঠি পাঠায়। এরপর আলোচনাতেও বসেছিলেন এআইএফএফের সভাপতি কল্যাণ চৌবে।
