ওঙ্কার ডেস্কঃ এবার বিশ্বভারতীতেও নিয়োগে কারচুপি। বিশ্বভারতীতে নন-একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্থায়ী পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে মেল মারফত অভিযোগ জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, নন একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্থায়ী পদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। ব্যক্তিগত মেলে নিয়োগপত্র পাঠানো হয়েছে। উপ-কর্মসচিব ও সহকারিকর্ম সচিব সাধারণ পদে নিয়োগের মেধা তালিকার কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, “সমস্ত নিয়ম মেনে নিয়োগ হয়েছে। অভিযোগকারীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
জানা যাচ্ছে, শিক্ষা মন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি দ্বারা লিখিত পরীক্ষা নিলেও তাঁর প্রাথমিক ফলাফল এজেন্সি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি। সেকারণেই প্রশ্ন উঠছে, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ পেশাগত চূড়ান্ত মেধাতালিকা কীভাবে প্রকাশিত করল। এজেন্সি চূড়ান্ত তালিকা না দিলে বিশ্বভারতী পেল কীভাবে?
চাকুরী প্রার্থীদের দাবি, উচ্চপর্যায় তদন্ত হওয়া উচিত। প্রায় ৪০০ টি নন একাডেমিক পদে নিয়োগ হতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া করতে চলেছে বেসরকারি একটি এজেন্সিকে দিয়েই। ফলে দুর্নীতির অভিযোগ আরও জোরালো হতে পারে।
বিশ্বভারতীর এক আধিকারিক দাবি করেন, “প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী আমলে এজেন্সি মারফত নিয়োগে অস্বচ্ছতা দেখা যায়নি। এখন এক দুষ্টুচক্র একের পর এক চাকরি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। অযোগ্য প্রার্থীদের চাকুরির সুযোগ দিচ্ছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে।”
এ বিষয়ে প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী জানান, “ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি পরিচালিত কোনও নিয়োগে দুর্নীতির কোনও প্রশ্ন নেই। ওয়েবসাইটে সব দেখতে পাওয়া যায়। এজেন্সিকে বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ এবং তা নিয়োগ পত্র প্রদান কখনও কাম্য নয়।”
