নিজস্ব সংবাদদাতা : বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ার দুই পোস্টকে ঘিরে উত্তেজনা। জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যৌথ উদ্যোগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি। দেশের নয়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশের সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন । রবিবার আরও একটি পোস্ট শেয়ার করেন দলের আর এক মুখ্যসচেতক সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার রাতে আবদুল্লাহ সমাজমাধ্যমে জানান, গত ১১ মার্চ তাকে এবং দলের আরও দু’জনকে সেনা ক্যান্টনমেন্টে ডেকে নিয়ে গিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল ।
এই পোস্টের বিষয় ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে দুদিন ব্যাপী আলোচনা চলে । রবিবার সমাজমাধ্যমে সারজিস লেখেন, “যে ভাবে এই কথাগুলো ফেসবুক স্টেটাসের মাধ্যমে এসেছে, এই প্রক্রিয়াটি আমার সমীচীন মনে হয়নি।” এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ সারজিসের ওই পোস্টে লে়খেন, ‘এসব কী ভাই! পাবলিকলিই বলছি, দু’জনের একজন মিথ্যা বলছেন। এটা চলতে পারে না। মানুষ এনসিপিকে নিয়ে যখন স্বপ্ন বুনছে, তখন এভাবে এনসিপিকে বিতর্কিত করা কাদের অ্যাজেন্ডা!”
সারজিস কে সেনপ্রধান ওয়াকার-উজ়-জ়ামান নতুন রূপে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। হাসনাত চেয়েছিলেন সারজিস যাতে এই প্রস্তাবে রাজি হয় । সারজিস বলেন সেনাপ্রধান তাঁদের বলেছেন, “যদি সংশোধিত আওয়ামী লীগের উত্থান না-হয়, তবে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের সমস্যা হবে।”
