স্পোর্টস রিপোর্টার : কলকাতা লিগে বারাসাতের ডার্বির ফলাফল অমিমাংসিত। ১-১ ব্যবধানে শেষ হল ম্যাচ। সিনিয়র দলের ফুটবলার খেলিয়েও ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে ব্যর্থ মোহনবাগান। দুই দলই সুপার সিক্সে। মোহনবাগানের কাছে ম্যাচ ছিল সম্মান রক্ষার কিন্তু সেটা হল না। ম্যাচের শুরু থেকেই ম্যাচে চাপ বাড়াতে থাকে মোহনবাগান। তবে উন্নত পরিকাঠামোর বারাসাতে বৃষ্টির কারণে মাঠ ভিজে থাকায় অসুবিধার মুখে পড়তে হয় ফুটবলারদের। বারাসাতের পরিকাঠামো যে এখনও তৈরী নয় সেটা বোঝাই যাচ্ছে। ৩৮ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।
টানা ডিফেন্স করতে করতে ছন্দ হারাল ইস্টবেঙ্গল। সাহালের থেকে মাঝ মাঠ থেকে একটি বল পান মনবীর সিং। তাঁকে ব্লক করতে গিয়ে পারেননি ইস্টবেঙ্গল প্লেয়ার অঙ্কন। তাঁকে কাটিয়ে বাঁ পায়ে শট নেন মনবীর। প্রথম পোস্টে শট রেখে গোল করেন। সেই সময় গোলকিপার গৌরব সাউ পজিশনে ছিলেন না, ফলে সহজেই গোল পায় সবুজ মেরুন। ডুরান্ড ফাইনালে ডার্বির পর এই ম্যাচে গোল পেলেন মনবীর সিং।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে মোহনবাগান জোড়া সুযোগ পেয়েছিল গোলের ব্যবধান বাড়ানোর। প্রথমে আপুইয়া ও তার পর শুভাশিস বসুর হেড মিস হয়।প্রথমার্ধের শেষবেলায় গোলের সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আকাশ হেমব্রম বক্সে বল পেলেও তিনি একা বল বের করতে পারেননি। ফলে বিপদ হয়নি। প্রথমার্ধ ১-০ ব্যবধানেই শেষ হয়।৬৫ মিনিটে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল কর্নার পায় ইস্টবেঙ্গল। বিজয় মুর্মু মাপা কর্নার নেন। বলটা যায় পরিবর্ত হিসেবে নামা মহম্মদ বিলালের কাছে। তিনি হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন। মোহনবাগান ডিফেন্ডারদের দেখা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না। ৮৪ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল গোলের সুযোগ মিস করে। শুভাশিস বসুর থ্রো থেকে বল যায় মেহতাব সিংয়ের কাছে। তিনি বলটা পিছনের দিকে হেড করেন। বলটা যায় সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। তিনি টাচ করলেও বল জালে জড়াতে পারেননি। অনবদ্য দক্ষতায় বল ফিস্ট করে বের করে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার গৌরব সাউ। অতিরিক্ত সময় দিলেও লাভ হয়নি। ম্যাচ অমিমাংসিত ভাবেই শেষ হয় ডুরান্ড ডার্বি ফাইনালের হারের বদলা নিতে পারলো না মোহনবাগান।